
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃনির্বাচন কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনার ‘নিয়োগ প্রক্রিয়া’ নিয়ে প্রশ্ন নতুন নয়। সেই নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে মামলা হল। অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার এক তরফা ভাবে কমিশনার নিয়োগ করছে। সেই নিয়োগ আটকাতেই শীর্ষ আদালতে মামলা হল নতুন করে। আগামী ১৫ মার্চ সেই মামলা শুনানি রয়েছে।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এদিন আবেদনকারী অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মসের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণকে জানান, তাঁরা প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে বার্তা পেয়েছেন। বিষয়টি শুক্রবার শুনানির তালিকায় রাখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু, লোকসভা ভোটের ঠিক মুখে সম্প্রতি এক কমিশনারের পদত্যাগে বিষয়টি জটিল হয়ে দাঁড়ায়। শূন্যপদে নিয়োগ করাটা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় সেই মামলাটির দ্রুত শুনানির আর্জি জানায় এডিআর।
নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েলের পদত্যাগের পরই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া আবশ্যিক হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও অনুপচন্দ্র পাণ্ডের অবসরগ্রহণে দুটি পদ শূন্য রয়েছে। আগামিকাল, ১৪ মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে উচ্চপর্যায়ের প্যানেল শূন্যপদে নতুন কমিশনার নিয়োগ করতে পারে। আগে ঠিক ছিল ১৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় সেই বৈঠক হবে। কিন্তু, পরে সরকার ঠিক করে বৃহস্পতিতেই সেই নিয়োগ সেরে ফেলা হবে। প্যানেলের মাথায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। তাঁরা দুজন কমিশনারের নাম চূড়ান্ত করবেন। নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে।
নাম বাছাই পর্বের আগে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘাওয়াল, স্বরাষ্ট্র এবং পার্সোনেল মন্ত্রকের সচিবদের নিয়ে গঠিত সার্চ কমিটি পাঁচজনের নামের পৃথক দুটি তালিকা তুলে দেবে প্যানেলের কাছে।
