
নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর বর্ণময় রাজনৈতিক জীবন, সুশাসন এবং জাতীয় সুরক্ষার ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহ উল্লেখ করেন, এক সাধারণ দলীয় কর্মী থেকে মুখ্যমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার এই দীর্ঘ যাত্রা প্রমাণ করে যে, জীবনের একমাত্র লক্ষ্য যখন দেশসেবা হয়, তখন যে কোনও কঠিন সংকল্পই বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
অমিত শাহ বলেন, নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতাকে কখনোই চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে দেখেননি; বরং দরিদ্রের কল্যাণ ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সমাজের অন্তিম ব্যক্তিটিকে প্রশাসনিক নীতি ও উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখাটাই তাঁর নেতৃত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য। গৃহহীন মায়েদের পাকা বাড়ি উপহার দেওয়া থেকে শুরু করে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের জীবনদায়ী সুরক্ষা, তিন তালাক প্রথার বিলোপ, কিংবা নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম—প্রতিটি পদক্ষেপ নারী ও প্রান্তিক মানুষের ক্ষমতায়ন ঘটিয়েছে। পাশাপাশি স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া এবং জাতীয় শিক্ষানীতির মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনন্ত সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।
দেশের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের চিত্র তুলে ধরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কাশ্মীর থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে একসময় উন্নয়নের নামগন্ধ ছিল না, এখন সেখানে বিশ্বমানের পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। কাশ্মীরে চেনাব নদীর উপর বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলসেতু, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সড়ক ও সেতুর আধুনিক জাল, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন এবং সেমিকন্ডাক্টর হাব এখন ‘নতুন ভারত’-এর প্রতীক। একসময় বিশ্ব অর্থনীতিতে পিছিয়ে থাকা ভারতকে মোদী আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করেছেন, যার ফলে বিশ্বমঞ্চে আজ ভারতীয় পাসপোর্টের মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের ৩৬টি দেশ প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করেছে, যা প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ভারতবাসীর কাছে এক পরম গর্বের বিষয়।
জাতীয় সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোদীজির নেতৃত্বেই প্রথমবার দেশে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটেছে। ৩৭০ ধারার বিলোপ, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, এয়ার স্ট্রাইক এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, ভারত আর কেবল নিছক মৌখিক নিন্দায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং শত্রুকে যোগ্য জবাব দেয়। এছাড়া নকশালবাদের অবসান এবং উত্তর-পূর্বে একাধিক শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ সুরক্ষাকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হয়েছে। অমিত শাহের কথায়, "একটি সমৃদ্ধ ভারতের প্রথম শর্তই হলো সুরক্ষিত ভারত—আর প্রধানমন্ত্রী মোদী তা বাস্তবে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।"
मोदी जी के नेतृत्व में देश ने पहली बार आतंकवाद के विरुद्ध 'जीरो टॉलरेंस' की नीति को धरातल पर उतरते देखा। धारा 370 का अंत, सर्जिकल स्ट्राइक, एयर स्ट्राइक और ऑपरेशन सिंदूर, इन निर्णयों ने दुनिया को बता दिया कि अब भारत केवल निंदा नहीं करता, निर्णायक जवाब देता है। नक्सलवाद समाप्त हो चुका है, पूर्वोत्तर में दशकों पुराने विवाद शांति समझौतों से सुलझे हैं और सीमाएं सुरक्षित हैं। सुरक्षित भारत ही समृद्ध भारत की पहली शर्त है, मोदी जी ने इसे सिद्ध कर दिखाया है। #HappyBdayPMModi
— Amit Shah (@AmitShah) September 17, 2026
