Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

West Bengal

2 years ago

Kolkata News: DRDO-তে সুযোগ পাঁশকুড়ার সুদীপের! ছেলের পাশে হতদরিদ্র পরিবার

Sudeep from Panshkura has a chance at DRDO! Poor family next to son
Sudeep from Panshkura has a chance at DRDO! Poor family next to son

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পাঁশকুড়ার যুবক সুদীপ মাইতির ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল দেশের সুরক্ষায় নিজেকে শামিল করার। এবার দারিদ্রতাকে নিয়েই সেই স্বপ্ন সাকার হতে চলেছে সুদীপের। তিনি সুযোগ পেলেন দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও-তে। সুদীপ পাঁশকুড়া ব্লকের পুরুষোত্তমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মহাম্মদ মুরাদ মাইতি পাড়া এলাকার বাসিন্দা। বৃদ্ধ বাবা গোবিন্দ মাইতি পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিন ছেলে মেয়েকে নিয়ে অভাবের সংসার।

জীবনভর একেরপর এক অট্টালিকা তৈরি করে গেলেও নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য একখানা ঘরও তৈরি করে উঠতে পারেন নি গোবিন্দ মাইতি। তবে তাঁর এই কঠিন লড়াইতে তিনি সবসসময়ই পাশে পেয়েছেন তাঁর স্ত্রীকে। ছেলেমেয়েদের পড়াশুনোর খরচ মেটাতে বিড়ি বাঁধেন তাঁর স্ত্রী নীলিমা মাইতি। আবাস যোজনার বাড়ি না মেলায় এই দরিদ্র পরিবার থাকেন শতচ্ছিন্ন ত্রিপল ঘেরা বাড়িতে। তাদেরই একমাত্র ছেলে সুদীপ এবার ডিআরডিও-তে।

চক দুর্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গ্রামের স্কুলেই সুদীপের হাতেখড়ি। তবে ছোট থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন তিনি। বিজ্ঞান বিভাগে পূর্ব চিলকা লালচাঁদ হাই স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিকে ৭০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশের পর শিয়ালদার পলিটেকনিক কলেজ থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা। এরপর কলকাতার একটি বেসরকারি কলেজ থেকে বি-টেক। বর্তমানে আইআইটি গুয়াহাটিতে এম-টেক পাঠরত। লক্ষ্য ছিল একটাই, দেশের সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে ডিআরডিও-তে যোগদান করা। অবশেষে মিলল সেই সুযোগ। ত্রিপল ঘেরা পাঁশকুড়ার এই হত দরিদ্র পরিবারের ছেলেটি চলতি বছরের শুরুতেই ডিআরডিও দেরাদুন থেকে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য ডাক পান। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুশির হওয়া আত্মীয় পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে।

সুদীপ বলেন, 'গত বছর আচমকা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে কোমর ভেঙে যাওয়ায় বাবা আর কাজ করতে পারেন না। সংসার চালাতে মা এখনও বিড়ি বাঁধেন। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই। তবুও স্বপ্ন ছিল দেশের সুরক্ষার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করা। আর সেই লক্ষ্যে এখন অনেকটাই সফল হতে পেরে খুশি।' এদিকে সুদীপের এই কঠিন লড়াইয়ে বেশ খানিকটা আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আগেই এগিয়ে এসেছেন চিলকা লালচাঁদ হাই স্কুলের শিক্ষক শান্তনু চক্রবর্তী-সহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

মা নীলিমা মাইতি বলেন, 'অভাবের সংসারে পড়াশোনার এই বিপুল খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম হতে হয়েছে। তবুও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চাই ছেলের ইচ্ছে পূরণ হোক।' তবে রাজ্য সরকার উচ্চশিক্ষার জন্য পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতে ও তাঁদের আর্থিক সাহায্য করতে যখন বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে, সেই সময় সুদীপের মতো দরিদ্র ছাত্র সেইভাবে কোনও সরকারি সাহায্য না পাওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্নমহল থেকে।

You might also like!