Breaking News
 
Jitendra Tiwari: পাণ্ডবেশ্বরে বিনিয়োগের ঢল? প্রথম দিনেই ১ হাজার কোটি, ‘কর্মসংস্থান বাড়বে’, দাবি বিধায়কের Calcutta High Court Former Judge: বেহাল রাস্তার জেরে নিত্য যাতায়াতে সমস্যা, ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি UP Rajya Sabha Polls: রিলায়েন্সের শীর্ষকর্তাকেই প্রার্থী! রাজ্যসভা ভোটে অখিলেশের বড় চমক, উত্তরপ্রদেশে নতুন সমীকরণ TMC Faction's Plea Dismissed: ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের, ৪ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজই, বহাল হাই কোর্টের নির্দেশ Dilip Ghosh: ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করলে ফল পেতেই হবে’, অনুব্রতকে ঘিরে মন্তব্য দিলীপের PM Modi Hails Pilot: ‘৯/১১-র কায়দায় হামলা রুখেছে ভারতীয়’, বীর পাইলট স্মিত মচ্ছারের প্রশংসায় মোদি

 

Country

2 months ago

shatrughan sinha Meet JP nadda: নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?তৃণমূল নেতার অবস্থান ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

'Shatrughan and Saugata' at the same table as Nadda
'Shatrughan and Saugata' at the same table as Nadda

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন ও দলীয় অবস্থান নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে দলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই এবার নতুন করে চর্চায় এল শত্রুঘ্ন সিনহা ও সৌগত রায়ের নাম। দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে শত্রুঘ্ন সিনহা ও সৌগত রায়ের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তাহলে কি এবার শিবির বদলের পথে হাঁটছেন এই দুই তৃণমূল নেতা? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত শত্রুঘ্ন সিনহা, সৌগত রায় বা বিজেপির তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

বুধবার সংসদের অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে যক্ষ্মা সংক্রান্ত একটি বৈঠক ছিল। যাতে বাংলার সব সাংসদ অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে দেখা যায় শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, জুন মালিয়া-সহ আরও অনেককেই। ওই অনুষ্ঠানেই সম্ভবত ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা এবং সৌগত রায়। সূত্রের খবর, নাড্ডার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় শত্রুঘ্নর। একই টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করছিলেন সৌগত রায়। যদিও কী বিষয়ে কথা হয়েছে তাঁদের, তা এখনও জানা যায়নি। 

বলে রাখা ভালো, ১৯ জন সাংসদকে নিয়ে তৃণমূল ছাড়ার পরপরই দিল্লিতে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চেয়েছিলেন, তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। এবং যেহেতু তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান, তাই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক। তাঁদের হাত ধরে এনডিএ বৃহত্তম শরিক পাচ্ছে। কারণ, এনডিএ-র আর কোনও শরিকেরই সাংসদ সংখ্যা এত নয়। অপেক্ষা ছিল, বাদল অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার তাঁদের স্বীকৃতি দেবেন। গত ১৯ জুলাই, বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক আগের দিন এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদল বৈঠকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাতে যোগদানও করেছিলেন তাঁরা।

মঙ্গলবারও ফের বৈঠকে ডাকা হয় এনসিপিআইকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এনডিএ শরিক হয়ে থাকবে এনসিপিআই নাকি বিজেপিতে বিলীন হয়ে যাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের অনামী দলটি। আর সেই দলটিতেই কি ফের বাড়তে চলেছে সদস্য সংখ্যা? সৌগত ও শত্রুঘ্নর সঙ্গে একই টেবিলে নাড্ডাকে দেখার পর থেকে ক্রমশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে এই প্রশ্ন। 

You might also like!