Breaking News
 
Parliament Monsoon Season 2026: লোকসভা ও রাজ্যসভায় হট্টগোল, দুপুর দু'টো পর্যন্ত উভয়কক্ষের অধিবেশন মুলতুবি NDA Parliamentary Party's Meeting : এনডিএ বৈঠকে প্রথম সারির আসন কাকলির, বদলাচ্ছে কি দিল্লির রাজনৈতিক সমীকরণ? Poster Controversy: সুদীপকে নিশানা করে বিতর্কিত পোস্টার, প্রচারকের তালিকায় কুণাল-তাপসের নাম ঘিরে তুমুল বিতর্ক Nirmala Sitharaman: ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক’—নিট বিতর্কে মুখ খুললেন নির্মলা, সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অর্থমন্ত্রী BJP Protest March: ‘আরশোলা’র অরাজকতার বিরুদ্ধে দেশপ্রেমের মিছিল’, জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার দুই প্রান্তে বিজেপির পদযাত্রা Abhishek Banerjee: লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক, একসঙ্গে তুললেন দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

 

West Bengal

2 years ago

Dev:সেচমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ,কবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান শেষে ? ডেডলাইন ঘোষণা করে দিলেন দেব

Dev
Dev

 

 দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে এবারের ভোটের অন্যতম বড় ইস্যু ছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ভোট মিটেছে। আরও একবার জয়ী হয়েছেন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। জয়ের হ্যাটট্রিকের পরই এবার রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন ঘাটালের পুনর্নির্বাচিত সাংসদ দেব। জলসম্পদ ভবনে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। সেই বৈঠক শেষে বেরিয়েই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শেষ হওয়ার ডেডলাইন জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শেষ হবে বলে দাবি দেবের।

দেব বলেন, “ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের সহযোগিতা না পেলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্ভব হবে না। নতুন করে অনেকগুলি খাল কাটতে হবে। অনেক জমি লাগবে আমাদের। আজ থেকে সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ফিল্ডে থাকবেন। নতুন খাল কাটতে কোন কোন জমিগুলি লাগবে, কোন কোন খাল চওড়া করতে হবে, সেগুলি চিহ্নিত করে আসবেন।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্ল্যান তৈরি হয়ে যাবে। আট মাসের মধ্যে টেন্ডার ডাকা হবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কনস্ট্রাকশনের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করছি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান কার্যকর করার জন্য ঘাটালবাসীর সহযোগিতা লাগবে। আমার আশা, ১০০-২০০ বছরের এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল প্রস্তুত। এটা আমাদের পাঁচ বছরের প্ল্যান। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান পুরোপুরি সম্পূর্ণ হতে পাঁচ বছর লাগবে।”

ঘাটাল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমির লীলাভূমি হিসাবে পরিচিত। তখনকার আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলস্বরূপ স্থানীয় ভূস্বামীরা এই নদীগুলির বন্যা ঠেকাতে সার্কিট বাঁধ দিয়ে নিজেদের জমিদারিতে নিচু এলাকাগুলিকে বন্যা থেকে বাঁচিয়ে আবাদি জমি বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। সেই জমিদারি জমানা আর নেই। কিন্তু জমিদারি বাঁধগুলি আজও রয়ে গিয়েছে। এই জমিদারি বাঁধগুলি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। তার ফলে বাঁধগুলি ভেঙেই মূলত ঘাটাল এলাকায় বন্যা দেখা দেয় ফি বছর। উলটোদিকে জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদী বাঁধ উপচে ছড়িয়ে পড়তে না পেরে নদীতেই জমতে থাকে পলি মাটি।

ফলে নদীর জলধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আর ফি বছর বন্যা প্রবণতাও বাড়তে থাকে। এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ভাবনা। কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনায় ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ভোটের আগে রাজ্যের তরফে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আর বানভাসি হতে হবে না ঘাটালবাসীকে। দেবের ডেডলাইনে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।


You might also like!