
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দোরগোড়ায় পুজো, আর চারদিকে উৎসবের আমেজ! এই সময়ে বাড়ির প্রতিটি কোণ সাজিয়ে তুলতে মন চায় নতুন রঙে। বিশেষ করে ড্রয়িং রুম, যেখানে পুজোর দিনগুলোতে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও প্রিয়জনদের সঙ্গে জমে ওঠে আড্ডা, তার সাজসজ্জায় আনুন একটু নতুনত্ব। অল্প কিছু পরিবর্তনেই বৈঠকখানাকে করে তুলতে পারেন আরও আকর্ষণীয় ও উৎসবমুখর। কীভাবে সাজালে আপনার ড্রয়িং রুমে ফুটে উঠবে পুজোর বিশেষ আবহ? রইল ঘর সাজানোর কয়েকটি সহজ ও সুন্দর টিপস।
* আসবাবপত্রের সাজসজ্জা: লিভিং রুম বা বসার ঘর সাজানোর জন্য আসবাবপত্রের সাজসজ্জা কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এক্ষেত্রে সঠিক রঙের পাশাপাশি সঠিক টেক্সচার, প্যাটার্ন এবং মেটেরিয়াল বেছে নিতে হবে। উৎসবের মরশুমে লিভিং রুমে দেওয়া যেতে পারে অভিজাত এবং ঐতিহ্যবাহী ছোঁয়া। সোভার কভার, পর্দার জন্য বেছে নিতে পারেন সিল্ক বা ভেলভেট ফেব্রিক।
* ওয়াল আর্ট বা ওয়াল ডেকর: দেওয়ালকে সাজিয়ে তুললে ঘরের চেহারাটাই বদলে যায়। ঘরের ফাঁকা দেওয়াল সাজিয়ে তুলতে ব্যবহার করুন নান রং-এর মুখোশ। কাঠের প্লেট কিংবা মাটির সরাও দেওয়ালের ভোল বদলে দিতে পারে। আয়না, ওয়াল প্লেট, নানা আকৃতির ফ্রেম তো রয়েছেই!
* আসবাবপত্র পরিবর্তন: লিভিং রুম বা বসার ঘরের সাধারণ সাইড টেবিলের জায়গায় অ্যান্টিক লুকের কার্ভড পিলার রাখা যেতে পারে। শুধু তা-ই নয়, আজকাল অফলাইন এবং অনলাইনে নানা ধরনের রঙবেরঙের আসবাবপত্র পাওয়া যায় যা বসার ঘরকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। ছোট ছোট রঙিন টেবিল, এথনিক প্যুফ সিট, ল্যাডারও রাখা যায়।
* রঙবেরঙের কুশন: ঘরের মধ্যে রঙের ছোঁয়া আনতে রঙবেরঙের কুশন ব্যবহার করুন। সিল্ক, ভেলভেট, সুতি, লিনেন... নানা ধরনের কুশন পাওয়া যায়। তবে পুজোর মরশুমে লিভিং রুমে রাজকীয়তা এবং আভিজাত্যের ছোঁয়া আনতে কুশনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে পুরনো বেনারসি শাড়ি। উজ্জ্বল এবং সূক্ষ্ম জমকালো কাজের বেনারসির কুশন অন্দরসজ্জায় আলাদা মাত্রা যোগ করবে।
* শো-পিস: অন্দরসজ্জার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ঘরকে সাজিয়ে তোলা যায় অনন্য শো-পিস দিয়ে। ভিন্টেজ অথবা অ্যান্টিক ধরনের শো-পিস রাখতে পারেন।
