
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সারাদিনের ব্যস্ততা আর ক্লান্তির শেষে যে জায়গাটায় ফিরে এসে মানুষ সত্যিকারের স্বস্তি খোঁজেন, তা হল নিজের ঘর। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে নতুন দিনের কাজ শুরু করার আগেও এই গৃহকোণ থেকেই আসে মানসিক শক্তি ও ‘পজিটিভ ভাইব’। তাই ‘ছায়া-সুনিবিড়, শান্তির নীড়’-এর ঝকঝকে চেহারা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা শুধুমাত্র সৌন্দর্যের বিষয় নয়, বরং মানসিক সুস্থতার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।
তবে ঘর পরিস্কারের আগে এই কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী
* সবচেয়ে আগে প্রয়োজন, হাতে হাত মিলিয়ে ঘরদোর পরিষ্কার রাখা। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট ক্লিনিং ক্যালেন্ডার। সেই ক্যালেন্ডারে সাপ্তাহিক, মাসিক এমনকী বাৎসরিক হিসেব লেখা থাকবে কোন সময় বাড়ির কোন আসবাব, সামগ্রী পরিষ্কার করতে হবে। ধরা যাক, শীতের শেষদিকে পাখা পরিষ্কার করা দরকার। সেটা ওই ক্যালেন্ডার দেখেই বোঝা যাবে।
* দেওয়াল বা সিলিং পরিষ্কার করার সময় সব সময় উপরের দিক থেকে শুরু করুন। ফলে যা কিছু ময়লা সেটা নিচে পড়বে। শেষে নিচের দিকটা পরিষ্কার করে ফেলতে পারলেই কাজ শেষ। সময় বাঁচবে। একই জায়গায় বারবার পরিষ্কারের প্রয়োজনও পড়বে না।
* মাথায় রাখুন বাইরের নোংরা যেন ঘরে সহজে প্রবেশ না করতে পারে। তাই বাড়িতে যাঁরাই আসুন, জুতো খোলার জায়গাটি থাক সদরের বাইরে। যদি সেটা সম্ভব না হয়, একেবারে সদরের পাশেই রাখুন জুতো রাখার জায়গাটি। অবশ্যই রাখুন একটি বড় পাপোশ।
* বাড়ির একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হল বাথরুম। প্রতি সপ্তাহে একবার শাওয়ার থেকে কমোড কিংবা টাইলস পরিষ্কার করুন। তাহলে ময়লা জমবে না। কিন্তু এর বেশি বিলম্ব হলেই কাজটা গোলমেলে হয়ে উঠবে।
* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অন্যতম সেরা উপায় হল ধুলো কমানোর উপায় খুঁজে বের করা, যাতে পরিষ্কার করা সহজ হয়। দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন। একটি হেপা ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। একটি এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন, লোমশ পোষা প্রাণীদের নিয়মিত ব্রাশ করুন ও স্নান করান। এয়ার ফিল্টার থাকলে ঘনঘন পরিবর্তন করুন।
