Breaking News
 
Iran-Israel conflict: ট্রাম্পের নিশানায় খামেনেই! ‘খুনিকে ক্ষমা নয়’, নিজের জীবন বাঁচাতেই কি ইরান আক্রমণের নির্দেশ? বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য F-15 fighter jet: কুয়েতের আকাশে মার্কিন বিমানের সলিল সমাধি! ইরানের পাল্টাচালে বিপাকে বাইডেন প্রশাসন, উত্তপ্ত আরব দুনিয়া Iran conflict: মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধ-অশান্তি, দিল্লি ও মুম্বই বিমানবন্দরে বাতিল একাধিক বিমান Ayatollah Ali Khamenei Dead: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই নিহত, ৪০-দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার

 

Life Style News

2 hours ago

Colorful Yet Careful: দোলের রঙে আনন্দ, খাবারে সংযম—উৎসব হোক জমজমাট, শরীর থাকুক স্বস্তিতে

Eat right on Holi
Eat right on Holi

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দোল মানেই রঙে ভেজা সকাল, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা-গান আর টেবিলভরা প্রিয় খাবারের আয়োজন। মিষ্টি, ঠান্ডা পানীয়, ভাজাভুজি—সব মিলিয়ে দিনটা একটু বেশি উপভোগ করারই সময়। কিন্তু আনন্দের এই মুহূর্তে যদি অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়ার ফলে পেট ভার, অস্বস্তি বা ক্লান্তি এসে হাজির হয়, তাহলে উৎসবের মেজাজটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই দোলের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি শরীরের যত্নও সমান জরুরি।

চিকিৎসকদের মতে, রঙের খেলায় ব্যস্ত থাকার সময় অনেকেই পর্যাপ্ত জল পান করতে ভুলে যান। তার উপর মিষ্টি ও তেল-মশলাদার খাবার বেশি খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।


∆ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—


* সকালটা শুরু হোক ঠিকভাবে:

অনেকে ভাবেন, সকালে না খেলে পরে নিশ্চিন্তে বেশি খাবার খাওয়া যাবে। বাস্তবে হয় উলটোটা। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। তখন হঠাৎ মিষ্টি আর তেলেভাজার প্রতি টান বেড়ে যায়, আর বুঝে ওঠার আগেই আমরা এসব বেশি খেয়ে ফেলি। তাই সকালে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর প্রাতঃরাশ করুন। প্রোটিন ও ফাইবার থাকলে ভালো। সবজি দেওয়া উপমা, চিঁড়ে-দই, ওটস, ডালিয়া—এগুলো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, শক্তিও দেয়। খেতেও সুস্বাদু আর ভরপুর পুষ্টি।

* সব নয়, পছন্দটুকুই:

উৎসবে খাবারের বাহার থাকবেই। কিন্তু সবকিছু একসঙ্গে খেতে হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই। নিজের সবচেয়ে প্রিয় আইটেমটি বেছে নিন। অল্প পরিমাণ নিন, ধীরে খান, স্বাদ উপভোগ করুন। আড্ডা দিতে দিতে স্ন্যাকসের পাশে দাঁড়িয়ে থাকলে অজান্তেই অনেকটা খাওয়া হয়ে যায়। তাই প্লেটে যতটা নেবেন, সেটুকুই খান। বারবার হাত বাড়ানো কমান।

* জলই সেরা সঙ্গী:

দোলের দিন সাধারণত বাইরে কাটে। রোদ, দৌড়ঝাঁপ আর রঙের মাঝে শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই নিয়মিত জলপান জরুরি। শুধু ঠান্ডা পানীয় নয়, সাধারণ জলই সেরা। ডাবের জল বা লেবুর শরবত ভাল বিকল্প। লস্যি খেলে বাড়িতে বানানো হলেই ভাল—চিনি কমিয়ে বাদাম, মৌরি যোগ করতে পারেন। তাতে স্বাদও বাড়বে।

* প্লেটে থাকুক ভারসাম্য: 

ভাজাভুজি দিয়ে প্লেট ভরবেন না। আগে অর্ধেকটা স্যালাড বা হালকা সবজি নিন। সঙ্গে ডাল, ছোলা, পনির বা দইয়ের মতো প্রোটিন রাখুন। তারপর অল্প করে মিষ্টি বা ভাজা খাবার নিন। এই সহজ নিয়ম শরীরকে ধীরে ধীরে খাবার গ্রহণে সাহায্য করে। হঠাৎ অস্বস্তি বা শক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

* শরীর থাকুক সচল:

হোলিতে রং খেলা, নাচ, হাসিঠাট্টা – সবই একধরনের শরীরচর্চা। সকালে একটু হাঁটা বা হালকা স্ট্রেচিং করলে শরীর সতেজ থাকে। উৎসব শেষে খাওয়াদাওয়া করে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে না পড়ে, সামান্য হাঁটাহাঁটি করলে হজমেও সুবিধা হয়।

উৎসব মানেই আনন্দ, কিন্তু সেই আনন্দ যেন শরীরের উপর চাপ হয়ে না দাঁড়ায়। তাই সংযম ও সচেতনতার সঙ্গে দোল উদযাপন করলেই দিনটি হবে রঙিন, প্রাণবন্ত এবং সুস্থতার বার্তা বহনকারী।  


You might also like!