Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

Taratala Accident: তারাতলা গুদাম দুর্ঘটনা, চতুর্থ দিনেও জারি তল্লাশি, ‘ম্যাসিভ কাটিং’-এর আগে নিশ্চিত হতে চায় প্রশাসন

Kolkata under-construction warehouse collapse
Kolkata under-construction warehouse collapse

 

কলকাতা, ২৭ জুন : বিপর্যয় কেটে যাওয়ার পর শনিবার চতুর্থ দিনে পড়ল। কিন্তু কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন গুদাম ভেঙে পড়ার ঘটনায় উদ্ধারকাজ এখনও জারি রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে জোরকদমে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভেতরে আর কোনো মানুষ আটকে নেই— এ বিষয়ে সম্পূর্ণ সুনিশ্চিত হওয়ার পরেই পুরো ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য ‘ম্যাসিভ কাটিং’ বা বড় আকারের কাটিংয়ের কাজ শুরু হবে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। পাশাপাশি ১৭ জন আহত শ্রমিক বর্তমানে সরকারি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার সন্ধ্যায় জানিয়েছিলেন যে, এই ঘটনার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের অপরাধ শাখা । পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ স্বয়ং এই গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে তদন্তের নিয়মিত আপডেট নিচ্ছেন। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় যার বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ উঠেছিল, তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ তোলেন যে, পূর্বতন সরকারের আমলে দুর্নীতির কারণেই এই অবৈধ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজেই এই নির্মাণ পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার, স্নিফার ডগ এবং ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও জরুরি পরিষেবা, কলকাতা পুরনিগম, সিভিল ডিফেন্স, এনডিআরএফ , এসডিআরএফ এবং সেনার জওয়ানরা লাগাতার কাজ করে চলেছেন।

উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের মতে, দুর্ঘটনার সময় নির্মাণস্থলে ঠিক কতজন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন, তার কোনো সরকারি রেকর্ড বা তালিকা না থাকায় উদ্ধার অভিযান এখনও জারি রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে তিন নাবালক শ্রমিকও রয়েছে, যারা ওই বিপজ্জনক নির্মাণ কাজে নিযুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য, গত বুধবার নির্মাণাধীন গুদামটির লোহার বিম এবং ধাতব চাদরগুলি সদ্য ঢালাই করা কংক্রিটের ভার সহ্য করতে পারেনি। যার ফলে পুরো বিশাল কাঠামোটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে এবং বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। গত চার দিন ধরে লাগাতার উদ্ধার কাজ চললেও এখনও সবাইকে বের করা সম্ভব হয়নি।

You might also like!