Breaking News
 
West Bengal Government: রেশন, আমফান, মিড ডে মিলসহ একাধিক প্রকল্পে তদন্ত, বিশেষ কমিশন গড়ল রাজ্য সরকার July 21 Martyrs' Day: ভিক্টোরিয়া হাউসে সভার আবেদন খারিজ, ২১ জুলাইয়ের কালীঘাট তৃণমূলের কর্মসূচি নিয়ে নতুন মোড় হাইকোর্টে Prashant Kishor: ভোট জয়ের কৌশল থেকে নির্বাচনী ময়দান, প্রশান্ত কিশোরের শতকোটির সম্পত্তি ঘিরে চর্চা Nitin Gadkari: ই-২০ পেট্রল নিয়ে সরব গাড়ি মালিকরা, মাইলেজ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Shivraj Chouhan Meet Suvendu Adhikari: এল নিনো মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত, জি রাম জি প্রকল্পে অতিরিক্ত ৫০ দিনের কাজের বার্তা কেন্দ্রের ISCON : কলকাতার রথযাত্রায় নতুন চমক, ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ,উৎসবে আমন্ত্রণ শাহকে

 

kolkata

1 hour ago

Dilip Ghosh on July 21: 'দম থাকলে ব্রিগেড ভরিয়ে দেখান', ২১ জুলাই নিয়ে 'কালীঘাট তৃণমূল'-কে দিলীপ ঘোষের খোঁচা

Dilip Ghosh
Dilip Ghosh

 

কলকাতা, ১৫ জুলাই : পশ্চিমবঙ্গে ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরের মধ্যে চলা রাজনৈতিক দড়ি টানাটানির আবহে কালীঘাট তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি কর্মী-সমর্থকদের আস্থা পাশে থাকে, তবে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করে ময়দান ভরিয়ে দেখাক তারা; আর তা না পারলে বাড়িতেই শহিদদের ছবিতে মালা দিয়ে অনুষ্ঠান করুক।

বুধবার সকালে ইকো পার্কে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে মুড়ি খাওয়ার ফাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, "যদি সাহস থাকে তবে ব্রিগেডে যান। যদি কর্মী-সমর্থক থাকে তবে ব্রিগেড ভরিয়ে দেখান। আর যদি তা করতে না পারেন, তবে বাড়িতে শহিদদের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।"

তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বছরের পর বছর ধরে ২১ জুলাই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। ১৯৯৩ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৎকালীন যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কর্মীর মৃত্যুর স্মরণে এই দিনটি পালন করা হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ধর্মতলায় এই উপলক্ষে বিশাল সমাবেশের আয়োজন করা হতো।

তবে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙনের পর পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নিজেদের "আসল তৃণমূল" দাবি করে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির ওপর নিজেদের অধিকার জাহির করছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট গোষ্ঠীও পৃথক কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দুই শিবিরের পক্ষ থেকেই ধর্মতলায় সভা করার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ সেখানে সভা করার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। এরপর ঋতব্রত গোষ্ঠীকে মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কালীঘাট গোষ্ঠীকে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেনি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দলে ভাঙন ধরার পর ব্রিগেড ময়দান ভরানো নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার কারণেই হয়তো এই প্রস্তাব এড়ানো হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে কালীঘাট শিবিরের দিকে নিশানা সেঁধে দিলীপ ঘোষ বলেন, সংগঠন ও কর্মীদের ওপর ভরসা থাকলে ব্রিগেডে শক্তি প্রদর্শন করা উচিত ছিল। তিনি এও বলেন যে, বড় সমাবেশ করা সম্ভব না হলে ঘরে বসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোও সম্মান প্রদর্শনের একটি ভালো উপায় হতে পারে। অন্য দিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, উপযুক্ত স্থান না পাওয়া গেলে প্রয়োজনে তিনি রিকশায় চড়েও ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করবেন।

You might also like!