দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: মেয়েকে ধর্ষণের পর অ্যাসিডে পুড়িয়ে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, তৎকালীন প্রশাসন গোটা ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। ঘটনার দু’বছর কেটে গেলেও বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তাঁদের। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে সুবিচারের আশায় বৃহস্পতিবার সমস্ত নথিপত্র হাতে নিয়ে ‘জনতার দরবার’-এ হাজির হন নির্যাতিতার মা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আবেদন জানান তিনি।
২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর। লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন ভয়ংকর কাণ্ড ঘটেছিল কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালিতে। এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পরিবারের তরফে পুলিশের দ্বারস্থ হন। প্রথমে খুন বললেও ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেনি পুলিশ। নির্যাতিতার মায়ের দাবি, আচমকাই সুর বদলে যায় পুলিশের। তাঁরা দাবি করেন, আত্মহত্যা করেছেন ওই পড়ুয়া। পরিবারের তরফে বারবার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ দায়েরের চেষ্টা করা হলেও লাভ হয়নি। এরপর আইনজীবীর সহযোগিতায় অবশেষে অভিযোগ দায়ের করতে পারে পরিবার। তবে তদন্ত এগোয়নি।
নির্যাতিতার মায়ের দাবি, সেই সময় কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র টাকার বিনিময়ে ঘটনাটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন। তখন নির্যাতিতার বাড়ি গিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী । আশ্বাস দিয়েছিলেন পাশে থাকার। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে সেই শুভেন্দু। তাতেই আশায় বুক বেঁধেছেন নির্যাতিতার মা। তাঁর আশা, এবার সুবিচার মিলবে। সেই কারণেই বৃহস্পতিবার যাবতীয় নথি নিয়ে জনতার দরবারে এসেছেন তিনি। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই ‘জনতার দরবার’ চালু করেছেন শুভেন্দু। সপ্তাহের একটি দিন সরাসরি আমজনতার সমস্যার কথা শোনেন তিনি। সমাধানের চেষ্টা করেন।
