দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কালীঘাট এলাকায় তৎপরতা সিআইডির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় তদন্তকারী আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে চর্চা। তবে এবার সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে নয়, কালীঘাটের একটি অন্য ফ্ল্যাটে পৌঁছেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই ফ্ল্যাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয়া থাকেন, যিনি তাঁর বোন বলে জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন মামলার তদন্তের সূত্রে সিআইডি সেখানে গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
আজ দুপুরে হঠাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির পাড়া হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে হঠাৎ সিআইডি আধিকারিকরা হাজির হন। কিন্তু তাঁরা মমতার বাড়িতে না গিয়ে ২৯/ডি নম্বরের ওই ফ্ল্যাটে যান। ফ্ল্যাটে ঢোকার আগে স্থানীয়দের কিছু প্রশ্নও করেন আধিকারিকরা। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বোন থাকেন। সেখানেই এসেছেন সিআইডি আধিকারিকরা।
বিধায়কদের সই জাল মামলায় একাধিকবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়িতে গিয়েছে সিআইডি। সম্প্রতি মমতার কালীঘাটের বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে তল্লাশিও চালান তদন্তকারীরা। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। এছাড়াও তাঁর ডিজে মন্তব্যের জন্যেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডির আধিকারিকরা। তবে এদিন কোন মামলার প্রেক্ষিতে মমতার বোনের বাড়িতে সিআইডি গিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা করেছেন।
