
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:জমে উঠেছে ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরোয়া সমীকরণ। ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এক ছাদের তলায় বন্দি প্রতিযোগীদের মধ্যে রাগ, অভিমান, বন্ধুত্ব আর সম্পর্কের টানাপোড়েন ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। আর সেই আবহেই বাড়ির ভিতরে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন সৃজলা গুহ। একসময় যাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল, সেই দুর্নিবার ও জীতুর সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব বাড়ছে বলে দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, নিরঞ্জন, মনামী, ভরত কল, রাজবীর, তনুশ্রী ও সোনামণিদের একাংশের মুখে সৃজলাকে ‘ফেক’ বলার অভিযোগ। সোমবারের আলোচনাতেও সৃজলাকে নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করতে শোনা যায় দুর্নিবারকে। শুধু তাই নয়, কথোপকথনে উঠে আসে আরও কিছু ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দুর্নিবারকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে সোনামণি বলেন, ‘তুমি না কি মাইক না পরে ওকে বলেছ যে, তুমি ওকে পছন্দ করো। সৃজলা আমাকে বলেছে, 'আমার না ভয় করছে সোনা। আমি কী করব।' সত্যি?’ দুর্নিবার সবটা শুনে নিজেকে স্থির রেখেই এরপর সোনাকে পালটা প্রশ্ন করেন। জানতে চান সৃজলা তাঁকে আর কী কী বলেছে।
সোনামণি আরও জানান যে, তাঁকে সৃজলা বলেছে একদিকে জীতু অন্যদিকে দুর্নিবার। তিনি কোনদিকে যাবেন বুঝতে পারছেন না। এমনকী, দুর্নিবারের ব্যবহারে এতটাই চিন্তিত যে, চোখে চোখ রাখতে তাঁর অস্বস্তি হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সোনামণির দাবি সৃজলা তাঁকে বলেছিলেন, ‘আমাকে আমার ব্যবহার দিয়ে বোঝাতে হবে (দুর্নিবারকে) এমন সম্ভব নয়।’বিবাহিত দুর্নিবারকে নিয়ে এমন কথা রটা, নিঃসন্দেহে একটি বড় বিতর্ক তৈরি করে বিগ বস বাংলার ঘরে। যদিও দুর্নিবারের দাবি, তিনি ‘এরকম কথা’ বলেননি। সোনামণিকে দুর্নিবার বলেন, ‘এটা আমি বলিনি। এটা বলা, আর অন্য কিছু বলা ইজ ডিফারেন্ট। যাই বলে থাকি না কেন, এটা না। আমি তোকে অনুরোধ করব, তুই এটা রিপিট করিস না।’ এখানেই শেষ নয়, সোনামণির কাছে একটি প্রস্তাবও রাখেন দুর্নিবার। যেখানে বলা হয় যে, তিনি যদি এই কথাটা ঘরের কাওকে না বলেন, তবে তিনি গোটা সিজনে কখনোই নমিনেট করবেন না সোনামণিকে।এখন দেখার কোনদিকে মোড় নেয় সৃজলা-দুর্নবারকে নিয়ে তৈরি হওয়া এই বিতর্ক। ইন্ডাস্ট্রিতে কানাঘুষো শন বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে সম্পর্কে আছেন সৃজলা। এমনকী, তাঁর জীবনে থাকা বিশেষ মানুষের কথা একাধিকবার বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে বিগ বস বাংলার ঘরে। যদিও কোনো নাম নেননি। অন্যদিকে, দুর্নিবার শুধু বিবাহিতই নন, এক সন্তানের বাবা। ২০২১ সালে তিনি বিয়ে করেছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তবে সেই বিয়ে ভেঙে যায় ২০২২-এই। এরপর ২০২২-এর শেষে দুর্নিবারের জীবনে আসেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক ইন্দ্রিলা সেন ওরফে মোহর। ২০২৩ সালের ৯ মার্চ তাঁদের বিয়ে দেন খোদ প্রসেনজিৎ। বিয়ের বছর ঘোরার আগেই তাঁদের কোলে আসে প্রথম সন্তান ধিয়ান। বর্তমানে দুর্নিবার ও মোহরের ছেলের বয়স আড়াই বছর।
