Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

Country

7 hours ago

Delhi Riots: দিল্লি দাঙ্গায় ঘৃণাভাষণের অভিযোগ, ১৫ আবেদনই খারিজ হাই কোর্টে, স্বস্তিতে অনুরাগ-কপিলরা

Delhi High Court
Delhi High Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ২০২০ সালে সিএএ আইনের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজধানী দিল্লি। উত্তর-পূর্ব দিল্লির একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়াবহ হিংসা। সেই ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাভাষণের অভিযোগও উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, একাধিক নেতার বক্তব্যের জেরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘৃণাভাষণের অভিযোগে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের এবং বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিটের মাধ্যমে তদন্তের দাবিতে দিল্লি হাই কোর্টে মোট ১৫টি মামলা দায়ের হয়েছিল। সোমবার সেই সমস্ত আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে ২০২০ সালের দিল্লি হিংসার ঘটনায় ঘৃণাভাষণের অভিযোগ সংক্রান্ত ওই মামলাগুলির আবেদনকারীদের দাবি আপাতত আদালতে গ্রহণযোগ্যতা পেল না। 

দিল্লিতে ভয়াবহ হিংসার ঘটনার পর হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শেখ মুজতবা নামে এক আইনজীবী। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুর, প্রবেশ বর্মা ও অভয় বর্মাদের ঘৃণা ভাষণের জেরে এই হিংসা ছড়িয়েছিল। ‘দাঙ্গায় উসকানি’ দেওয়া এই নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি করা হয়। বলা হয়, দাঙ্গার আগে এক জনসভায় তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সিএএ বিরোধীদের উদ্দেশে স্লোগান দেন, ‘দেশ কে গদ্দারো কো, গোলি মারো…’। পরদিন প্রবেশ বর্মা বলেন, ‘কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মতো অবস্থা দিল্লিতেও হতে পারে, শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীরা বাড়ি ঢুকে মহিলাদের উপর হামলা চালাতে পারে।’ 

অন্যদিকে, আইনজীবী লরেন্স ভয়েসের আবেদনে নাম ছিল কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া, আমানাতুল্লা খান, মিম প্রধান আকবরউদ্দিন ওয়েইসি ও প্রাক্তন বিধায়ক ওয়ারিস পাঠানের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাট তাঁর আবেদনে দিল্লি পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, অপরাধ ও অন্যান্য অন্যায় কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ তোলেন। আরও এক মামলায় সিএএ বিক্ষোভে অর্থ যোগানের অভিযোগে এনআইএ তদন্ত চাওয়া হয়। সোমবার হাই কোর্টে এই মামলা উঠলে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী ও মনোজ জৈনের বেঞ্চ ১৫টি মামলাই খারিজ করে দেয়। 


You might also like!