Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

Country

1 month ago

Shivraj Chouhan: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ জাতীয় ও জনস্বার্থে অপরিহার্য, শিবরাজ চৌহান

Union Minister Shivraj Singh Chouhan
Union Minister Shivraj Singh Chouhan

 

নয়াদিল্লি, ২৬ আগস্ট : ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ জাতীয় ও জনস্বার্থে অপরিহার্য, জোর দিয়ে বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। 'এক দেশ, এক নির্বাচন' বিষয়ে কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, "আমি পি চিদম্বরমের বিবৃতিটি পড়েছি, যেখানে তিনি দাবি করেছেন 'এক দেশ, এক নির্বাচন' ব্যবস্থাটি অসাংবিধানিক এবং কংগ্রেস দলের বিবেক এর বাস্তবায়নের অনুমতি দেয় না। তিনি কোন বিবেকের কথা বলছেন? অতীতে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একই সময়ে অনুষ্ঠিত হতো; ১৯৫২, ১৯৫৭, ১৯৬২ এবং ১৯৬৭ সালে এমনটাই ঘটেছিল। পরবর্তীকালে, কংগ্রেস দল অসাংবিধানিক উপায়ে বিরোধী দলের নির্বাচিত সরকারগুলিকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে এই ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। ১৯৮৩ সালে আইন কমিশন জানিয়েছিল, লোকসভা ও বিধানসভাগুলির নির্বাচন একই সময়ে হওয়া প্রয়োজন।"

শিবরাজ আরও বলেন, "নির্বাচন কমিশনও এই মত পোষণ করে। ২০১৮ সালে আইন কমিশনও বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছিল। তাহলে এটি কীভাবে অসাংবিধানিক হয়ে উঠল? প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি সারা দেশের বুদ্ধিজীবী ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পর একটি রিপোর্ট প্রস্তুত করে, যেখানে 'এক দেশ, এক নির্বাচন'-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একই সময়ে আয়োজন করার এবং তার ১০০ দিনের মধ্যে অন্যান্য নির্বাচন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘন ঘন নির্বাচনের ফলে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলির ব্যয় যেমন বেড়েছে, তেমনই উন্নয়নও ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক এবং দলীয় কর্মীরা নির্বাচনের কাজে প্রচুর সময় ব্যয় করেন। শিক্ষক, রাজস্ব বিভাগের কর্মী, পুলিশ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জনসেবা, জনকল্যাণ ও উন্নয়নের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে কেবল নির্বাচনের প্রস্তুতিতেই ব্যস্ত থাকেন। বর্তমানে এটিই সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একই সময়ে হওয়া উচিত। কংগ্রেস দলের অবস্থান যা-ই হোক না কেন, জাতীয় স্বার্থই সর্বপোরি; জাতীয় ও জনস্বার্থের জন্য 'এক দেশ, এক নির্বাচন' ব্যবস্থা অপরিহার্য। সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে, নির্বাচনগুলি একই সময়ে হওয়া উচিত— এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে একটি ঐকমত্য রয়েছে।"

You might also like!