Festival and celebrations

1 hour ago

Basanti Puja 2026: বসন্তের আবহে দেবী আরাধনা—বাসন্তীপুজোয় জাগ্রত শক্তির বন্দনা

Basanti Durga Puja
Basanti Durga Puja

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বসন্ত মানেই প্রকৃতির নবজাগরণ, আর সেই সময়েই পালিত হয় বাঙালির এক প্রাচীন ঐতিহ্য—বাসন্তীপুজো। অনেকেই এই পুজোকে বসন্তের দুর্গাপুজো বলেই চেনেন, কারণ এখানে আরাধ্যা দেবী আসলে দূর্গা-রই এক বিশেষ রূপ, বাসন্তীদেবী। পুরাণ মতে, চন্দ্রবংশীয় রাজা সুরথ প্রথম বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেন। সেই থেকেই শুরু এই পুজোর প্রচলন। অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জাগরণের জন্য যুগে যুগে সাধক ও মনীষীরা এই আরাধনায় ব্রতী হয়েছেন।

এই বছরের পুজোয় বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে দেবীর আগমন ও গমনে। বিশ্বাস করা হয়, শ্রীশ্রী বাসন্তীদেবীর নৌকায় আগমন শুভ বার্তা বহন করে, যা সমৃদ্ধি ও শান্তির প্রতীক। অন্যদিকে ঘোটকে গমন কিছুটা অস্থিরতার ইঙ্গিত দিলেও, তা জীবনের চলমান চক্রেরই অংশ বলে মনে করেন অনেকে।  রীতিনীতির দিক থেকে বাসন্তীপুজো এবং শারদীয় দূর্গা পূজোর মধ্যে তেমন কোনও পার্থক্য নেই। কালের সঙ্গে সঙ্গে কিছু আচার পালনে সামান্য পরিবর্তন এলেও মূল ভাবনা একই—মায়ের শক্তির আরাধনা এবং অশুভের বিনাশ।


∆ বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে:

* পঞ্চমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৭ চৈত্র, রবিবার।

ইংরেজি– ২২ মার্চ, রবিবার।

সময়- রাত ৯টা ১৮ মিনিট।

* পঞ্চমী তিথি শেষ—

বাংলা– ৮ চৈত্র, সোমবার।

ইংরেজি– ২৩ মার্চ, সোমবার।

সময়- সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিট।

* ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৮ চৈত্র, সোমবার।

ইংরেজি– ২৩ মার্চ, সোমবার।

সময়- সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট।

* ষষ্ঠী তিথি শেষ—

বাংলা– ৯ চৈত্র, মঙ্গলবার।

ইংরেজি– ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার।

* সপ্তমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৯ চৈত্র, মঙ্গলবার।

ইংরেজি– ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার।

সময়- বিকেল ৪টে ৯ মিনিট।

* সপ্তমী তিথি শেষ—

বাংলা– ১০ চৈত্র, বুধবার।

ইংরেজি – ২৫ মার্চ, বুধবার।

সময়– দুপুর ১টা ৫১ মিনিট।

* অষ্টমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ১০ চৈত্র, বুধবার।

ইংরেজি– ২৫ মার্চ, বুধবার।

সময়– দুপুর ১টা ৫২ মিনিট।

* অষ্টমী তিথি শেষ—

বাংলা– ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।

ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।

সময়– সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট।

* সন্ধিপুজো—

সকাল ১১টা ২৫ মিনিট গতে সন্ধিপুজো আরম্ভ।

সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট গতে বলিদান।

দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটের মধ্যে সন্ধিপুজো সমাপন।

* নবমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা- ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।

ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।

সকাল- ১১টা ৫০ মিনিট।

* নবমী তিথি শেষ—

বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।

ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।

সকাল- ১০টা ৭ মিনিট।

* দশমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।

ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।

সকাল- ১০টা ৮ মিনিট।

* দশমী তিথি শেষ—

বাংলা- ১৩ চৈত্র, শনিবার।

ইংরেজি– ২৮ মার্চ, শনিবার।

সকাল- ৮টা ৪৬ মিনিট।

শ্রীশ্রী বাসন্তীদেবীর দশমী বিহিত পুজো সমাপন ও বিসর্জন প্রশস্তা।

∆ গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে:

* পঞ্চমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৭ চৈত্র, রবিবার।

ইংরেজি– ২২ মার্চ, রবিবার।

সময়- রাত ১১টা ৫৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ড।

* পঞ্চমী তিথি শেষ—

বাংলা– ৮ চৈত্র, সোমবার।

ইংরেজি– ২৩ মার্চ, সোমবার।

সময়- রাত ৯টা ৩৬ মিনিট ৫ সেকেন্ড।

* ষষ্ঠী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৮ চৈত্র, সোমবার।

ইংরেজি – ২৩ মার্চ, সোমবার।

সময়- রাত ৯টা ৩৬ মিনিট ৬ সেকেন্ড।

* ষষ্ঠী তিথি শেষ—

বাংলা– ৯ চৈত্র, মঙ্গলবার।

ইংরেজি– ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার।

সময়- সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড।

* সপ্তমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ৯ চৈত্র, মঙ্গলবার।

ইংরেজি– ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার।

সময়- সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড।

* সপ্তমী তিথি শেষ—

বাংলা– ১০ চৈত্র, বুধবার। 

ইংরেজি– ২৫ মার্চ, বুধবার।

সময়– বিকেল ৪টে ৪৭ মিনিট ২৬ সেকেন্ড। 

* অষ্টমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা– ১০ চৈত্র, বুধবার।

ইংরেজি– ২৫ মার্চ, বুধবার।

সময়– দুপুর ১টা ৫২ মিনিট।

* অষ্টমী তিথি শেষ—

বাংলা– ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।

ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।

সময়– সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট।

* সন্ধিপুজো—

সকাল ১১টা ২৫ মিনিট গতে সন্ধিপুজো আরম্ভ।

সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট গতে বলিদান।

দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটের মধ্যে সন্ধিপুজো সমাপন।

* নবমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা- ১১ চৈত্র, বৃহস্পতিবার।

ইংরেজি– ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার।

সকাল- ১১টা ৫০ মিনিট।

* নবমী তিথি শেষ—

বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।

ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।

সকাল- ১০টা ৭ মিনিট।

* দশমী তিথি আরম্ভ—

বাংলা- ১২ চৈত্র, শুক্রবার।

ইংরেজি– ২৭ মার্চ, শুক্রবার।

সকাল- ১০টা ৮ মিনিট।

* দশমী তিথি শেষ—

বাংলা- ১৩ চৈত্র, শনিবার।

ইংরেজি– ২৮ মার্চ, শনিবার।

সকাল- ৮টা ৪৬ মিনিট।

শ্রীশ্রী বাসন্তীদেবীর দশমী বিহিত পুজো সমাপন ও বিসর্জন প্রশস্তা।

আজও বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে গ্রামবাংলায়, ভক্তিভরে পালিত হয় এই পুজো। বসন্তের মৃদু হাওয়ায়, কোকিলের ডাকে আর ফুলের সুবাসে মিশে থাকে দেবী আরাধনার এক অনন্য আবহ, যা বাঙালির সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়েছে।  


You might also like!