Breaking News
 
Supreme Court: বিডিও-র জালে এবার আইন! স্বর্ণকার খুনের ঘটনায় মিলল না আগাম জামিন, আত্মসমর্পণের কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের SSC: এসএসসিতে বয়সের ছাড়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের; বিপাকে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী Prime Minister Narendra Modi :সিঙ্গুরে মোদী-ম্যাজিক কি ফিকে? শিল্পের দিশা না পেয়ে মাঝপথেই সভা ছাড়লেন সমর্থকরা—অস্বস্তির মুখে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব Abhishek Banerjee: ‘বাংলা নয়, সময় হয়েছে আপনাদের পাল্টানোর!’ সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে মোদীর আক্রমণের জবাবে হুঙ্কার দিলেন অভিষেক Abhishek Banerjee:চাপড়ার জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ! অভিষেকের বড় দাবি— ‘বাংলা বিরোধী বিজেপিকে হারিয়ে মোদীকে দিয়েও বলিয়ে ছাড়ব জয় বাংলা’ Iran protests: ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ভারতীয়রা, আত্মীয়কে জড়িয়ে কান্না

 

Festival and celebrations

1 hour ago

Hilsa Fish on Saraswati Puja: সরস্বতী পুজোর দিন জোড়া ইলিশ বরণ ও বিয়ের রীতি কেন? জানেন এর নেপথ্যের কারণ

Saraswati Puja Hilsa Tradition
Saraswati Puja Hilsa Tradition

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় বসন্ত পঞ্চমী বা সরস্বতী পুজো। এই দিনটি বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনার জন্য অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এ বছর ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী পুজো পড়েছে। তবে এই পুজোর আচার-অনুষ্ঠানে ঘটি ও বাঙাল বাড়ির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য দেখা যায়। বিশেষ করে বহু বাঙাল পরিবারে এই দিনে জোড়া ইলিশ বরণ এবং বিয়ের রীতি পালনের চল রয়েছে। কিন্তু সরস্বতী পুজোর দিন এমন নিয়মের পেছনে আসলে কী কারণ রয়েছে, তা অনেকেরই অজানা।

রীতি ১- সরস্বতী পুজোর দিন জোড়া ইলিশ বরণ মূলত পূর্ববঙ্গীয়দের অন্যতম লোকাচার। কিছু বাড়িতে আবার এদিন ইলিশ মাছের বিয়ে দেওয়ার রীতি-ও রয়েছে। যদিও মনে করা হয়, সরস্বতী পুজোর সঙ্গে এই রীতির সরাসরি কোনও যোগ নেই। তবে একই চান্দ্র তিথিতে হয়, দুই অনুষ্ঠান। বসন্ত পঞ্চমীর দিন সকালে কাঁচা হলুদ মেখে স্থান করে ইলিশ মাছ নিয়ে আসা হয় বাজার থেকে। এরপর ধান, দূর্বা, তেল, সিঁদুর ও কাঁচা হলুদ সহযোগে মাছটি উলু ও শঙ্খ ধ্বনি দিয়ে বাড়িতে ঢুকিয়ে, কুলোর উপর সাজিয়ে রাখা হয়। কিছু পরিবারে, জোড়া ইলিশ মাছ বরণের সময়, দুটি গোটা বেগুন ও লাউ ডগাও রাখা হয়। অনেক পরিবারের নিয়ম, দু'টির জায়গায় একটি ইলিশ মাছ বরণ করা। সেখানে ইলিশের সঙ্গে নোড়া রাখা হয়, যাকে নোড়া দিয়ে জোড়া বা ইলশার বিয়ে বলে। নোড়াটি পুরুষ এবং মাছটিকে নারীর রূপে ধরা হয় এবং উলু- শঙ্খ ধ্বনি, ধান- দূর্বা, তেল, সিঁদুর, কাঁচা হলুদ দেওয়া হয় তখন।

রীতি ২- বহু পরিবারে জোড়া ইলিশ বরণের সময় মুখে টাকা গুঁজে দেওয়া হয়। যিনি মাছ কাটবেন, সাধারণত এই টাকাটি তার প্রাপ্য। তবে মাছ কাটার ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম। আঁশ এদিক ওদিক যাতে ছড়িয়ে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। কলাপাতার উপর রেখে অনেকে আঁশ ছাড়ান। পরে সেটি মুড়ে যে কোনও পরিষ্কার স্থানে তা পুঁতে দিতে হয়।

রীতি ৩- পুজোর দিন জোড়া ইলিশের পিছনে আ এক কারণও আছে। মনে করা হয়, পূর্ববঙ্গের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষ এক সময়, বিজয়া দশমীর পর আর ইলিশ মাছ ধরতেন না। বসন্ত পঞ্চমীর সময় থেকে আবার মাছ ধরতেন তাঁরা। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ সময় থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালে অপরিণত ইলিশ ধরা পড়ে। আসলে এটাই শিশু ইলিশদের সমুদ্রে ফেরার সময়। শোনা যায়, বহু যুগ আগে পূর্ব বাংলার মৎস্যজীবীরা এদিন বিশেষ মঙ্গলাচরণের মধ্যে দিয়ে ইলিশ ধরার সূচনা করতেন।

রান্নার নিয়ম- জোড়া ইলিশ বরণ করার পর এই মাছ রান্নার ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ রীতি। ফোঁড়ন এবং সমস্ত তরকারি একসঙ্গেই দিতে হয় কড়াইতে। এই রান্নায় কোনও গুঁড়ো মশলা ব্যবহার করার নিয়ম নেই। কাঁচা হলুদ এবং কাঁচা লঙ্কা ব্যবহার করে এই পদ রান্না করা হয়। 

You might also like!