Breaking News
 
Tulu Mondal protection plea: ‘টুলু মণ্ডল যেন ইন্দ্রজিৎ, মেঘের আড়াল থেকে সব দেখছেন’! কোর্টে চাঞ্চল্যকর পর্যবেক্ষণ Jadavpur University violence: ‘যাদবপুরে দেশবিরোধী তৈরি হয়’, ‘ইনশাআল্লা-আজাদি চলবে না’! শর্বরীর হুঙ্কারে পালটা বামনেত্রীর CM Suvendu Adhikari: বন্যায় সবংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০০ বাড়ি! আকাশপথে পরিস্থিতি দেখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর Jadavpur University Chaos: যাদবপুরে রাতের সংঘর্ষ অনভিপ্রেত, উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে তদন্তের ভাবনা উপাচার্যের Amit Shah: ‘স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান’, ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র তোপ অমিত শাহের Omar Abdullah : জেন জি-র নামে জওয়ানদের হুমকি? তরুণীর ভিডিও দেখে ক্ষুব্ধ ওমর আবদুল্লা, দিলেন কড়া বার্তা

 

Entertainment

55 minutes ago

Kala Hiran: ‘কালা হিরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, দিল্লি হাই কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে নির্মাতারা

The Kala Hiran dispute reached the Supreme Court
The Kala Hiran dispute reached the Supreme Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘কালা হিরণ’ সিনেমাকে ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল আকার নিল। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবির প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি হাই কোর্ট। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’-র পরিচালক ভরত শ্রীনাথ ও প্রযোজক অমিত জানি। ফলে সলমন খানকে ঘিরে তৈরি এই আইনি লড়াই পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, প্রায় দুই দশক আগে রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ উঠেছিল সলমন খানের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর থেকেই একাধিক আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন বলিউডের ভাইজান। ২০১৮ সালে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সঙ্গে সলমনের বিরোধের প্রসঙ্গও বারবার সামনে এসেছে। 

সম্প্রতি ওই বিতর্কিত অধ্যায়কেই কেন্দ্র করে ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ ছবির ঘোষণা করেন নির্মাতারা। ছবির প্রচারমূলক টিজার প্রকাশ্যে আসতেই আপত্তি জানান সলমন খান। তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে পরিচালক ও প্রযোজককে আইনি নোটিস পাঠিয়ে ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার পাশাপাশি সমস্ত প্রচারমূলক কনটেন্ট সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত ক্ষমা না চাইলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নির্মাতাদের তরফে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না হওয়ায় দিল্লি হাই কোর্টে মামলা করেন সলমন খান। শুনানি শেষে তাঁর পক্ষে রায় দেয় উচ্চ আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ‘কালা হিরণ’-এর প্রচারঝলক সরিয়ে ফেলতে বলা হয়। সেই রায়েই আপাতত থমকে যায় ছবির প্রচার।


শুনানির সময় নির্মাতাদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্যও করেছিলেন দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি জ্যোতি সিং। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, বিচারাধীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এভাবে ছবি তৈরি ও প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি আদালতে ছবির টিজার দেখেও বিষয়বস্তু নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।  বিচারপতির বক্তব্য ছিল, কোনও ব্যক্তির সুনাম তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে। একবার সেই ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাবও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি বিচারাধীন বিষয়কে কেন্দ্র করে তৈরি কনটেন্ট আদালতের মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

তবে দিল্লি হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তেই থেমে থাকতে রাজি নন ‘কালা হিরণ’-এর নির্মাতারা। উচ্চ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন পরিচালক ভরত শ্রীনাথ ও প্রযোজক অমিত জানি। ফলে ছবির প্রচার, মুক্তি এবং বিচারাধীন মামলাকে কেন্দ্র করে নির্মাণের বৈধতা নিয়ে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হল। এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর সিনেমা মহলের। 

You might also like!