Entertainment

44 minutes ago

Yash: নগ্ন দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক, কর্নাটক থেকে ‘ঘাড় ধাক্কার’ হুমকি! ‘কন্নড়’ উচ্চারণ শুধরে ড্যামেজ কন্ট্রোল

Actor-producer Yash
Actor-producer Yash

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘কেজিএফ’ খ্যাত যশের আসন্ন ছবি ‘টক্সিক’ মুক্তির আগেই বিতর্কে জড়িয়েছে। বছরের শুরুতে প্রকাশিত প্রথম ঝলকেই ছবির কিছু দৃশ্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। সময় গড়ালেও সেই সমালোচনার রেশ কাটেনি। বরং ছবিতে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে এবার কর্নাটকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন দক্ষিণী তারকা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ‘টক্সিক’-এর যশকে কর্নাটক থেকে বিতাড়নের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। নিজের রাজ্যেই এমন বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে এবার মাতৃভাষার উচ্চারণে আরও যত্নশীল হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেন অভিনেতা। তাঁর এই পদক্ষেপকে অনেকেই ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ হিসেবে দেখছেন।

আগামী ২৬ তারিখ রিলিজ করছে ‘টক্সিক’। হাইভোল্টেজ সংলাপ, রগরগে সব যৌনগন্ধী দৃশ্যে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তুঙ্গে। তবে কটাক্ষ, সমালোচনার ঝড়েই পুরোদস্তুর সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত যশ। এমনকী ধরে ধরে সব অভিযোগের জবাবও ছুড়ছেন। সম্প্রতি ‘টক্সিক’-এর প্রচারের জন্য জনপ্রিয় টক শো ‘আপ কি আদালত’-এ হাজির হয়েছিলেন যশ। সেখানেই সঞ্চালক রজত শর্মার কন্নড় উচ্চারণ বিভ্রাট শুধরে দেন অভিনেতা। কথোপকথনের সময়ে রজতের উদ্দেশে যশ বলেন, “স্যর, আমার একটা অনুরোধ আছে। এটাকে আসলে ‘কন্নড়’ বলা হয় না। সকলকে বলছি- ‘কান্নাড়া’ বলুন। দয়া করে এর নেপথ্যে আমাদের আবেগটা বুঝুন।” মূল সাক্ষাৎকার থেকে বাদ পড়া এই অংশটি শোয়ের নির্মাতারা সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আনতেই বিতর্কের আবহে ‘পোয়া বারো’ দক্ষিণী সুপারস্টারের। কীরকম?


মাতৃভাষার প্রতি যশের এহেন টান অনুভব করে কর্নাটকের বাসিন্দারা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন যশকে। অনুরাগীদের একাংশ আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, যে অভিনেতাকে দু’দিন আগে পর্যন্ত কর্নাটক থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, সেই তিনিই মাতৃভাষার উচ্চারণ শেখাচ্ছেন বাকিদের। কেউ কেউ আবার ‘টক্সিক’-এর নগ্নতা ভুলে যশকে ‘কর্নাটকের গর্ব’ বলেও সম্বোধন করলেন। এদিকে বিনোদুনিয়ায় ফিসফাস, নায়িকাদের সঙ্গে পর্দায় নগ্ন হওয়ায় যশের সংসারেও নাকি আগুন জ্বলছে! স্ত্রী রাধিকার কী প্রতিক্রিয়া এসব দেখে?

যশ বলেন, “আমি মিথ্যা বলতে চাই না, যে কারওর সঙ্গীই এতে অস্বস্তি পরতে পারে। তবে দিনশেষে আমাদের বুঝতে হবে যে এটা একটা কাজ ছাড়া আর কিছুই না। অবশ্যই, রাধিকা এই দৃশ্যগুলো নিয়ে খুব একটা খুশি নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ও রাগ করেছে। কারণ ও আমার ওপর ভরসা রাখে। তাছাড়া রাধিকা নিজেও অভিনেত্রী, তাই ও বোঝে যে এটা আমার কাজ। পর্দায় আমি যখন পারফর্ম করি, তখন আমি শুধু একজন অভিনেতা, ওঁর স্বামী নই।”

You might also like!