
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সিনেমা বা ওয়েব সিরিজে ইদানীং খুব বেশি দেখা না গেলেও সোনাক্ষী সিনহাকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় চর্চার কমতি নেই। সামান্য কোনও মন্তব্য বা ঘটনার জেরেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়ে যায় ট্রোলিং ও মিমের বন্যা। বিশেষ করে জাহির ইকবালকে বিয়ের পর থেকেই নানা ধরনের কটাক্ষ ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে অভিনেত্রীকে। শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, রাজনৈতিক বা সামাজিক কোনও বিষয়ে মতামত প্রকাশ করলেও বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন সোনাক্ষী। কেন বারবার নেতিবাচক চর্চার কেন্দ্রে চলে আসেন তাঁর মেয়ে? সম্প্রতি সেই প্রশ্নই রাখা হয়েছিল প্রবীণ অভিনেতা ও রাজনীতিক শত্রুঘ্ন সিনহার কাছে। মেয়েকে নিয়ে তাঁর উত্তর শুনে নিন্দুকদের একহাত নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই তারকা।
সম্প্রতি নিট কেলেঙ্কারিতে পড়ুয়াদের আন্দোলনের ‘জোর’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সোনাক্ষী। জেন জি’দের প্রতিবাদে কি আদৌ কিছু বদলাবে? সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন নায়িকা। কিন্তু কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পরই দেশের যুবসমাজকে স্যালুট জানান ‘দাবাং গার্ল’। এমনকী জেন জি’দের শক্তি নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করায় প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবোসও করেন তিনি। তবে তার দিন কয়েকের মধ্যেই ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা আন্দোলন করলেও তা নিয়ে ‘টু’ শব্দটি করেননি সোনাক্ষী সিনহা। যার জেরে মারাত্মক কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাঁকে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ’দের হয়ে প্রতিবাদী সুর চড়ালেও ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে কেন চুপ? অতঃপর ফের নেটপাড়ার রোষানলে পড়তে হয় তাঁকে। কেন সবসময়ে ট্রোলের শিকার হতে হয় সোনাক্ষীকে? এক সাক্ষাৎকারে এবিষয়ে মুখ খুললেন বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা।

প্রবীণ নেতা-অভিনেতা জানান, “দিন কয়েক আগেই ঝাড়খণ্ডের শিক্ষার্থীদের প্রতি জোরালো সমর্থন জানিয়েছে সোনাক্ষী। অনেকেই টাকার বিনিময়ে আমার মেয়েকে আক্রমণ করে। যার নেপথ্যে বিজেপির আইটি সেল। ওরাই এই ট্রোলিং বিষয়টা চালায়। এরা এমন সব লোকজন যারা নিজেরাই নিজেদের কথা বোঝে না। তবে সোনাক্ষী খুব ভালো একটা কথা বলে- আমি ওসব দেখিই না, জীবনে আরও অনেক কিছু করার আছে।” সোনাক্ষী মাঝেমধ্যেই রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে মুখ খোলেন, তাহলে কি খুব শিগগিরি তাঁকে রাজনীতির ময়দানে দেখা যাবে? এহেন প্রশ্নের মুখে পড়তেই শত্রুঘ্ন জানান, আমি আগে বহুবার আমার মেয়েকে একথা জিজ্ঞেস করেছি। কিন্তু এর কোনও উত্তরই আমার কাছে নেই। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, সোনাক্ষী যোগ্য বাবার যোগ্য মেয়ে।”
