Imran Khan: ‘ককরোচ’ বিক্ষোভে যোগ দিয়েই বিপাকে ইমরান! ভারত ছাড়ার নির্দেশ মুম্বই পুলিশের

Actor Imran Khan
Actor Imran Khan

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ে আয়োজিত ‘ককরোচ’ বিক্ষোভে অংশ নিয়ে আটক হয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। এবার সেই ঘটনার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ করল মুম্বই পুলিশ। অবিলম্বে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে অভিনেতাকে নোটিস জারি করা হয়েছে। পুলিশের এই নির্দেশকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। 

হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ইমরান খানের কাজের সংখ্যা গুটিকয়েক। আমির খানের মতো বড়মাপের সুপারস্টার মামা হলেও বলিউডের পিচে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে পারেননি ‘দিল্লি বেলি’ অভিনেতা। থাকতেন প্রচারের অন্তরালেই। তবে সম্প্রতি ‘ককরোচ’ বিক্ষোভে যোগ দিয়ে আটক হওয়ার পর আবারও লাইমলাইটে অভিনেতা। বিগত কয়েক দিন ধরেই ইমরানকে নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। সিজেপি সমর্থকদের কথায়, ‘বলিউডের প্রথমসারির তারকদের মুখে যখন কুলুপ, তখন বিক্ষোভে যোগ দিয়ে বুকের পাটা দেখানোর সাহস রেখেছেন ইমরান খান।’ তবে ‘ককরোচ’ বিক্ষোভে শামিল হওয়ায় বিপাকে অভিনেতা। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ইমরানকে ভারত ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি মুম্বইয়ের ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। সেখানে ইমরানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সঙ্গী অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন এবং তাঁর তুতো বোন জায়েন মেরি খানও। বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁদের তিনজনকেই আটক করা হয়। এবার অভিনেতার বিরুদ্ধে নোটিস জারি করল মুম্বই পুলিশ। 

অভিযোগ, ইমরান খান ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। যা কিনা অভিবাসন আইন বিরুদ্ধ। অনুমান, অভিনেতা মার্কিন নাগরিক। তবে, ইমরান খান যে ভারতীয় নাগরিক নন- তার সপক্ষে কোনও প্রমাণ এখনও নেই। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, অভিনেতা অনাবাসী ভারতীয় কার্ড হোল্ডার। এদিকে অনাবাসী ভারতীয় আইনে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যোগ দেওয়া নিয়ে নির্দিষ্টভাবে কিছু বলা নেই। আগে থেকে অনুমতি নেওয়ারও উল্লেখ নেই। তবে তার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের রাজনৈতিক কার্যকলাপ অনুমোদিত হবে। নাগরিকত্ব আইনের ৭-বি ধারা অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বরাদ্দ নির্দিষ্ট কিছু অধিকার অনাবাসী ভারতীয় কার্ডধারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বিদেশি নাগরিক হিসেবে এই কার্ডধারীরা ভারতের সাধারণ নাগরিকদের মতো অধিকার দাবি করতে পারেন না। কোনও অভিযোগ বা ভিসা সংক্রান্ত নিয়মকানুন লঙ্ঘনের অভিযোগ জমা পড়লেই অপরাধ প্রমাণ হয় না। ফলে তার দরুণ দেশ থেকে বহিষ্কৃত করার যুক্তিও খাটে না সাধারণত।

শেয়ার করুন:

You might also like!