
নয়াদিল্লি, ২০ জানুয়ারি : কেরলের শবরীমালা মন্দির থেকে সোনা হারানোর মামলায় মঙ্গলবার তিনটি রাজ্যে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডি সূত্রে খবর, কেরল, কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর প্রায় ২১টি জায়গায় 'প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট' (পিএমএলএ) অনুযায়ী এ অভিযান চালানো হচ্ছে। ইডি জানিয়েছে, মূল অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পোট্টির বেঙ্গালুরুর বাড়ি, কেরলে ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি পদ্মকুমারের কয়েকটি ঠিকানায় এবং একাধিক গয়নার দোকানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় কেরল পুলিশের দায়ের করা একাধিক এফআইআরের ভিত্তিতে গত ৯ জানুয়ারি পিএমএলএ মামলা রুজু করে ইডি। এই মামলাটি কেরল হাই কোর্টের তত্ত্বাবধানে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) ইতিমধ্যেই তদন্ত করছে। ৯ জানুয়ারি শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরির তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধান পুরোহিত কান্দারারু রাজীভারুকে গ্রেফতার করা হয়। সোনা চুরির মামলায় প্রধান অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণন পোট্টি এবং ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি পদ্মকুমারের দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে রাজীভারুকে গ্রেফতার করা হয়। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শবরীমালা মন্দিরের বিভিন্ন ধর্মীয় নিদর্শন থেকে সোনা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে মন্দিরের দ্বারপালের মূর্তির সোনায় মোড়া তামার ফলক এবং শ্রীকোভিলের দরজার ফ্রেম থেকে সোনা খোয়া যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ইডির দাবি, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সোনায় মোড়া সামগ্রীগুলিকে নথিতে 'তামার ফলক' হিসেবে দেখিয়ে বেআইনি ভাবে মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে সরানো হয়। পরে চেন্নাই ও কর্নাটকের কয়েকটি জায়গায় সোনা আলাদা করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
