Country

2 years ago

Satellite passed to rescue: কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য উদ্ধারে পাড়ি দিল স্যাটেলাইট

Satellite passed to rescue the mystery of the black hole
Satellite passed to rescue the mystery of the black hole

 

নয়াদিল্লি, ১ জানুয়ারি: নতুন বছরে পা রাখতে না রাখতেই সাফল্যের আরও মাইলফলক ছুঁতে বড় অভিযানে নামল ভারত। মহাশূন্যের কৃষ্ণগহ্বরের রহস্য উদ্ধারে অভিযানে নামছে ইসরো। কৃষ্ণগহ্বর ও নিউট্রন স্টার নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যেই এদিন উৎক্ষেপঁণ করা হল রকেট। আমেরিকার পর ভারতই প্রথম কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার জন্য মহাকাশে রকেট পাঠাচ্ছে।

চন্দ্রযান-৩ সফল অভিযানের পর এবার ইসরোর নতুন লক্ষ্য হল কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের রহস্য উদঘাটন। সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে এক্সপোস্যাট বা এক্স-রে পোলারিমিটার স্যাটেলাইটের। পোলিক্স ও এক্সস্পেক্ট নামক দুটি পে-লোড সহ রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এই অভিযানের আরও একটি উল্লেখ্য় বিষয় হল, গোটা মিশনটির নেতৃত্ব দিয়েছেন একজন বাঙালি বিজ্ঞানী।

জানা গিয়েছে, এক্স-রে ফোটন ও তার পোলারাইজেশন ব্যবহার করে এক্সপোস্যাট কৃষ্ণগহ্বরের কাছের রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয়তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে। এছাড়া নিউট্রন স্টার সম্পর্কেও জানতে সাহায্য করবে এই স্যাটেলাইট। পোলিক্স পে-লোডের থমসন স্ক্যাটারিং ব্যবহার করা হবে এর জন্য। মহাশূন্যে থাকা নিউট্রন স্টার নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করবে এই স্যাটেলাইট। জানা গিয়েছে, এক্সপোস্যাট স্যাটেলাইটের দাম ২৫০ কোটি টাকা। এই স্যাটেলাইট মহাশূন্যে ৫ বছর থাকতে পারবে বলেই অনুমান।

যখন কোনও তারার মৃত্যু হয়, তখন তাদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও শেষ হয়ে যায়। মহাশূন্যে ভাসতে থাকে মৃত তারা। তৈরি হয় ব্ল্যাক হোল ও নিউট্রন স্টারের। মহাশূন্যে সবথেকে বেশি মাধ্যাকর্ষণ শক্তি থাকে কৃষ্ণগহ্বরে। সবথেকে বেশি ঘনত্ব হয় নিউট্রন স্টারের। এই কৃষ্ণগহ্বর ও নিউট্রন স্টার নিয়েই তথ্য সংগ্রহ করবে এই স্যাটেলাইট।

এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ভারতের তৃতীয় মিশন। ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হয়ে উঠেছে যারা একটি উন্নত জ্যোতির্বিদ্যা মানমন্দির চালু করেছে, যেটি বিশেষভাবে ব্ল্যাক হোল এবং নিউট্রন তারা অধ্যয়নের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

You might also like!