
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়মবিরুদ্ধ কিছু হলেই নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা। ভোটের (West Bengal Elections 2026) আগে থেকেই বারবার কড়া শাসানি দিয়েছিলেন যোগীর ‘সিংঘম’ আধিকারিক অজয় পাল শর্মা (Ajay Pal Sharma)। ভোটেও এলাকায় টহল দেন তিনি। তাঁর ‘হুমকি’তেই কি দিনভর কন্ট্রোলরুমেই ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan)? স্বাভাবিকভাবেই উঠছে সে প্রশ্ন। তবে ভোট শেষে কারণ স্পষ্ট করলেন জাহাঙ্গির। আরও একবার ‘সিংঘম’ আধিকারিককে হুঙ্কারও দিলেন তিনি।
এদিন ভোট পাঁচটা নাগাদ ফলতায় শ্রীরামপুরে নিজের দলীয় অফিসের কন্ট্রোলরুমে যান। দিনভর সেখানেই ছিল। বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিট নাগাদ শ্রীরামপুর পশ্চিম দুর্গাপুর অবৈতনিকপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন। টানা সাড়ে ১১ ঘণ্টা কেন দলীয় কার্যালয়ে থাকলেন জাহাঙ্গির খান? তিনি বলেন, “স্ট্র্যাটেজি তো নিশ্চয়ই আছে। আজকের নয়। ২০১৬ সাল, ২০১৯ সাল, ২০২১ সাল, ২০২৩, ২০২৪ সাল, আবার ২০২৬ সালেও একই সিস্টেম। আপনাদের হয়তো বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। সন্দেহ হচ্ছে। আমার কাজ গোটা ফলতা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ বিধানসভায়। আমাকে প্রত্যেকটি বিধানসভায় খোঁজখবর নিতে হচ্ছে। কন্ট্রোলরুম খুলতে হচ্ছে। এটা নতুন কিছু নয়।”
ইভিএমে সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে। সে অভিযোগ নস্যাৎ করে ফলতার তৃণমূল প্রার্থী বলেন,”বিজেপি মিথ্যাবাদী, ঝুটা পার্টি। ওদের কাজ নিজেরা ভুল করে আমাদের ঘাড়ে দোষ দেওয়া। ভোট খুব ভালো হয়েছে। ফলতার মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছে।” কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগও শোনা যায় জাহাঙ্গিরের গলায়। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন, পুলিশ অবজার্ভারের মদতে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেভাবে অত্যাচার করেছে তা কোনওদিন দেখিনি।” তাঁর হুঙ্কার, “পুষ্পা ঝুঁকেগা নেহি। করেঙ্গে নেহি তো মরেঙ্গে। যো আদমি ডর গ্যায়া ও মর গ্যায়া। সিংহ হয়ে এসেছিল ৪ তারিখের পর কুত্তা হয়ে উত্তরপ্রদেশে ফিরবে। উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রার্থীর বাড়িতে আসবে। হুমকি দেবে তা এলাকার মানুষ ভালোভাবে নেবে না। আমরা অবশ্যই জবাব দেব। কীভাবে উত্তরপ্রদেশে থেকে টেনে এনে বাংলার হাই কোর্টে আনা যায়, তার যোগ্য জবাব আমরা ৪ তারিখের পর দেব।”
