
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট হচ্ছে কী হচ্ছে না? লাখ টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। আলোচনা পর্বে কংগ্রেস তাঁর প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি, তাই তিনি জোটে যাবেন না, এমনটাই জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে লাগাতার জোটের জট কাটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
কখনও নরম, কখনও গরম, সুর বদলালেও সরাসরি জোট বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষারোপ করেনি কংগ্রেস। এমনকী বাংলায় ন্যায় যাত্রা করার সময় রাহুল গান্ধী একবারের জন্যও মমতা বা তৃণমূলের নাম মুখে আনেননি। দলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা জয়রাম রমেশ বরং তৃণমূলের সঙ্গে জোটের বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন। তবে এবার অবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মুখে আনলেন রাহুল।
ঝাড়খণ্ডে ন্যায় যাত্রার দরুণ সাংবাদিক বৈঠক করেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতা। সেখানে ইন্ডিয়া জোট সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে। রাহুল তখন জানান, ''আপনি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ভালভাবে শোনেন, তাহলে বুঝবেন উনি ভীষণভাবেই ইন্ডিয়া জোটের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।''
'ইন্ডিয়া' জোট ছেড়ে অনেকেই বেরিয়ে গেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। এই প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, ''যাঁরা এই জোটে ছিলেন, তাঁরা আছেন। শুধুমাত্র নীতীশ কুমার বেরিয়ে গেছেন। তিনি কী কারণে বিজেপিতে গেছেন সেটাও সকলে আন্দাজ করতে পারছেন। তাই আমি এই ব্যাপারে একমত নই যে অনেকে জোট ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন। আমরা ইন্ডিয়া জোট হিসেবেই ঝাড়খণ্ডে বা অন্য জায়গায় লড়ব।''
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, তিনি বাংলায় একা লড়বেন। কংগ্রেসকে দুটি আসন ছাড়ার প্রস্তাব দিলেও তারা তা প্রত্যাখান করে। এই ঘোষণা সম্পর্কে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ কিছুটা অনুযোগ প্রকাশ করেই বলেছিলেন, ''একজন হঠাৎ করে বলে দিলেন আলোচনা বন্ধ হয়ে গেছে, আমরা ৪২ আসনেই লড়ব, এটা সঠিক নয়।'' যদিও তিনি স্পষ্ট করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোট নিয়ে আশাবাদী রাহুলও একই কথা বললেন।
