
নয়াদিল্লি, ৪ অক্টোবর : নির্বাচনে হারের পর জনাদেশকে অস্বীকার ও অপমান করা কংগ্রেসের পুরনো অভ্যাস, আর এটি তাদের ‘ডিএনএ’-তেই রয়েছে— এই ভাষাতেই কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। রবিবার এক ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট করতে চাইছে।
রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ বলেন, "রাহুল গান্ধীর নির্দেশে কংগ্রেস সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'অবৈধ' বলে কটাক্ষ করেছেন। এটি সরাসরি গণতন্ত্র এবং জনগণের দেওয়া জনাদেশের চরম অপমান। এ ধরনের মন্তব্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করে, গণতন্ত্রের প্রতি অবিশ্বাস তৈরি করে এবং সারা দেশে অরাজকতা ছড়ানোর এক অপচেষ্টা মাত্র।"
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানের কড়া সমালোচনা করে শিবরাজ সিং চৌহান প্রশ্ন তোলেন, "কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা কেন? জিতলে নির্বাচন কমিশন ভালো, আর হারলেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন? কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা কিংবা হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস যখন জিতল, তখন কমিশন ত্রুটিহীন ছিল কীভাবে?"
ব্যালট পেপারে ভোট ফিরিয়ে আনার দাবির বিরোধিতায় আশির ও নব্বইয়ের দশকের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "সে সময় কীভাবে বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেওয়া হতো, দেশবাসী তা ভোলেনি। কংগ্রেস কি দেশকে আবার সেই অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়? স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যেখানে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে কংগ্রেস কেন প্রযুক্তির বিরোধিতা করছে?" কংগ্রেসের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে শ্বাসরোধ করার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন জরুরি অবস্থার ইতিহাসও। তিনি সাফ জানান, "গণতন্ত্রকে পিষে দেওয়া কংগ্রেসের সংস্কৃতি। শুধু আজ নয়, অতীতে জরুরি অবস্থা জারি করেও তারা গণতন্ত্রকে দুর্বল করার পাপ করেছিল। দেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমেই বারে বারে কংগ্রেসের এই চক্রান্তের যোগ্য জবাব দিচ্ছে এবং দেবে। কংগ্রেসের এই অসৎ উদ্দেশ্য কখনই সফল হবে না।"
लोकतंत्र का अपमान करना, संवैधानिक संस्थाओं को कमजोर करना, चुनाव हारने पर चुनाव आयोग को बदनाम करना, जनता के जनादेश का अपमान करना, यह कांग्रेस के डीएनए में है। https://t.co/6ifvNJZ6NL
— Shivraj Singh Chouhan (@ChouhanShivraj) October 4, 2026
