
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আইপিএলকে সামনে রেখে জুয়াড়িরা এবার শুরু থেকেই তৎপর। আসরের প্রতি ম্যাচে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হবে বলে ধারণা করছে মুম্বই পুলিশ। এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৮টি বেটিং অ্যাপ ও ৬০ জন ম্যাচ গড়াপেটাকারীর একটি নেটওয়ার্ক খুঁজে পেয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্টস সিকিউরিটির মতে, ভারতে জুয়ার বাজারমূল্য ভারতীয় টাকায় ১৩ হাজার কোটিরও বেশি। তবে কেবল দল কিংবা ক্রিকেটার নয়, জুয়াড়িদের ব্যস্ততা থাকে জুয়ার বাজারেও। ফ্র্যাঞ্জাইজি আর ম্যাচ সংখ্যা বাড়ায় এবারের আসরে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ লেনদেনের লক্ষ্য জুয়াড়িদের।
২০২৩ সালের আইপিএলকে সামনে রেখে দুবাই-করাচি ভিত্তিক জুয়াড়িরা এরই মধ্যে বাজি নেয়া শুরু করেছে। বাজি ধরার জন্য জুয়াড়িদের কাছে কোড নাম্বারও হস্তান্তর করা হয়েছে।
মুম্বই পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এরই মধ্যে ১৮টি বেটিং অ্যাপস ও ৬০ জন ম্যাচ ফিক্সারের একটি নেটওয়ার্ক খুঁজে পেয়েছেন তারা। প্রতি ৬, ১০ কিংবা ২০ ওভারের সেশনে যেখানে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার লেনদেন করা হবে। বেশকিছু জুয়াড়ি ও বেটিং সাইটের নাম এরই মধ্যে প্রকাশ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দ্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্টস সিকিউরিটির মতে, ভারতে জুয়ার বাজার এতটাই বৃহৎ যে, তার আর্থিক মূল্য ভারতীয় টাকায় ১৩ হাজার কোটিরও বেশি।
