Country

1 hour ago

Nirmala Sitharaman: ‘সারের দাম অকল্পনীয়!’ যুদ্ধের আবহে আর্থিক চাপ নিয়ে উদ্বিগ্ন নির্মলার বড় সতর্কবার্তা

Nirmala Sitharaman
Nirmala Sitharaman

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ইরান যুদ্ধের প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই নয়, সারের দামেও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির জেরে কৃষি ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে। এই পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তাঁর বক্তব্য, সারের দাম এখন “অকল্পনীয়” পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হচ্ছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে— জ্বালানি, সার এবং বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার। 

সম্প্রতি তিন ধাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে কেন্দ্র। গত এগারো দিনে ৭ টাকা ৩৮ পয়সা বেড়েছে পেট্রলের দাম। এমন সময় মুম্বইয়ে ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন ব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানে গোটা বিশ্বে এবং দেশে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে নির্মলা সীতারমণের মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, বিদেশিমুদ্রার খরচ কমাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে পরামর্শ দিয়েছেন দেশবাসীকে, তা বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে নজরে থাকবে তিনটি ‘এফ’, যথাক্রমে ফুয়েল (জ্বালানি), ফার্টিলাইসার (সার) এবং ফোরেক্স (বিদেশিমুদ্রা)” যোগ করেন, অশোধিত তেলের দাম বাড়াই একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়। 

নির্মলা জানান, জ্বালানি ছাড়াও সারের দাম অকল্পনীয় পর্যায় পৌঁছে গিয়েছে। অন্যদিকে, সোনার আকাশছোঁয়া দাম ভারতের জন্য বৈদেশিক ক্ষেত্রে “নতুন চ্যালেঞ্জ” তৈরি করছিল। ক’দিন আগেই ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারের উপর চাপ কমাতে সাধারণ নাগরিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি পরামর্শ দেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আমদানি বন্ধের, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় কমানোর, বিদেশ ভ্রমণ স্থগিতের এবং আগামী এক বছরের জন্য সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার। প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে সমর্থন করেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্মলা বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের সংকট শুধু একটি কূটনৈতিক বা ভূ-রাজনৈতিক বিষয় নয়। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের জন্য এর মানে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, পণ্য পরিবহনে বিলম্ব, জাহাজের খরচ বৃদ্ধি, কাঁচামালের ঘাটতি, মূলধনের উপর চাপ এবং রপ্তানি অনিশ্চয়তা।” যদিও বিরোধীদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আর্থিক চাপের কথা স্বীকার করলেও দেশের অর্থনৈতিক পতনের বিষয়টি মানতে নারাজ। 


You might also like!