
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দশ বছর পর দাপুটে প্রত্যাবর্তন! খড়্গপুর সদর থেকে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের প্রদীপ সরকারকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে আবার বিধানসভায় ফিরলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। কিন্তু এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—নতুন সরকারে তাঁর ভূমিকা কী? মন্ত্রিত্ব, না কি আরও বড় কোনও দায়িত্ব? বিজেপির অন্দরে এই নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে। তবে এই সমস্ত আলোচনা থেকে খানিকটা দূরেই রয়েছেন দিলীপ নিজে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “দল আমায় টিকিট দিয়েছিল, আমি লড়েছি। এখন দল যা দায়িত্ব দেবে, তা মাথা পেতে নেব।” তাঁর এই সংযত অবস্থান আরও জোরদার করছে রাজনৈতিক কৌতূহল—শেষমেশ কী চমক অপেক্ষা করছে?
মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপ। সেই সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সুযোগ দেয়। তৃণমূলের এত অত্যাচার সহ্য করেও ১৫ বছর সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু এ বার আর সুযোগ দেয়নি মানুষ। তাই মাথাও ভেসেছে। দেহও ভেসেছে। বাম বিদায় নেওয়ার সময়ে বুদ্ধবাবু-সহ সকলে হেরেছিল।’
প্রসঙ্গত, সোমবার রাজ্যে ২৯৩টি কেন্দ্রের ভোট গণনা হয়েছে শুক্রবার। তবে রাত পর্যন্ত সব আসনের পূর্ণাঙ্গ ফল স্পষ্ট হয়নি। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০৬টি আসনে জয়ী বিজেপি। তৃণমূলের দখলে ৮১টি আসন। কংগ্রেস দু’টি এবং সিপিএম একটি আসনে জয়ী হয়ে শূন্যের গেরো কাটিয়েছে। ভাঙড় আসন ধরে রেখেছেন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকি। আর অনেককে চমকে দিয়ে রেজিনগরের পাশাপাশি নওদা, জোড়া কেন্দ্র থেকে জিতে এসেছেন তৃণমূল থেকে নিলম্বিত হয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়া হুমায়ুন কবীর।
