Breaking News
 
Nirmala Sitharaman: ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক’—নিট বিতর্কে মুখ খুললেন নির্মলা, সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অর্থমন্ত্রী BJP Protest March: ‘আরশোলা’র অরাজকতার বিরুদ্ধে দেশপ্রেমের মিছিল’, জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার দুই প্রান্তে বিজেপির পদযাত্রা Abhishek Banerjee: লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক, একসঙ্গে তুললেন দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু NCPI: এনডিএ বৈঠকে ডাক, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ! বিজেপিমুখী কি এনসিপিআই সাংসদরা? CM Suvendu Adhikari: সিকিম সুড়ঙ্গ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারে স্বস্তি, চাকরি-ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী CJP Protest: ধর্মতলা অশান্তিতে বাড়ল গ্রেপ্তার, ছদ্মবেশে মিছিলে ঢোকার অভিযোগে পুলিশের জালে আরও দু’জন

 

West Bengal

1 year ago

Independence Day : পশ্চিমবঙ্গের এই জায়গায় ১৫ নয়, ১৮ই আগস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস! কোন জায়গায় , কেন জানেন?

Independence Day
Independence Day

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ-   ১৫ ই আগস্ট মানেই ভারতবাসীর কাছে স্বাধীনতা দিবস। প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের রাজত্ব সহ্য করার পর ১৯৪৭ সালে ১৫ই  আগস্ট স্বাধীন ভারতের স্বাদ পান ভারতবাসীরা। ইংরেজদের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে স্বাধীন ভারত গড়ার আশায় ঝরেছে কত কত  রক্ত। খালি হয়েছে  লাখ লাখ মায়ের কোল। তবে ১৫ ই আগস্টে তেরঙ্গা পতাকা উড়তেই হাসি ফুটেছিল সন্তান হারা মায়েদের মুখে। ১৯৪৮ সাল থেকে  প্রতিবছর এই দিনটিকে মাথায় রেখে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। তবে এই পশ্চিমবঙ্গে এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যেখানে ১৫ই আগস্ট নয়, বরং ১৮ই আগস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস। এই নেপথ্যে রয়েছে এক কাহিনী! 

কেন ১৮ই আগস্ট পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস?

ভারতবাসী ব্রিটিশ সরকারের অত্যাচার থেকে বাঁচতে যখন মরিয়া, তখন ভারতীয়দের আন্দোলনে অবশেষে ব্রিটিশ সরকার ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ভারত ছাড়ার আগে তারা দেশ বিভাজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। স্যার র‍্যাডক্লিফ কমিশন বানিয়ে ভারত-পাকিস্তান বিভাজন করে দেন। সেই বিভাজনের নিরিখে নদিয়ার শুধুমাত্র নবদ্বীপের অংশটুকু ভারতবর্ষের অধীনে থাকে। শিবনিবাস সহ কৃষ্ণনগর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা  বর্তমান বাংলাদেশের  মধ্যে পড়ে যায়। মুসলিম লীগ ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালে কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরির মাঠে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে। তারপর নদিয়ার অধিকাংশ মানুষের অসন্তোষে ফেটে পড়েন। খবর যায় ব্রিটিশ সরকারের কাছে। নদীয়াবাসীর আন্দোলনের নড়েচড়ে বসে  ব্রিটিশ সরকার। এরপর  তার ভুল বুঝতে পেরে ১৭ আগস্ট ১৯৪৭ সালে একটি সংশোধনী ঘোষণা করেন।ওই সংশোধনীতে বলা হয় চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া এবং মেহেরপুর পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং  কৃষ্ণনগর, শিবনিবাস এবং রানাঘাট ভারতবর্ষের অন্তর্ভুক্ত হবে। ওই সংশোধনের পরে ১৮ আগস্ট কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরির মাঠে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ভারতবর্ষের পতাকা উত্তোলন করা হয়। তবে এই জায়গায়  ১৮ আগস্ট আর স্বাধীনতা দিবস নয় ভারত ভুক্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিন নানা অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন সকলে। তার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য  চুর্নী নদীতে মহিলাদের নৌকা প্রতিযোগিতা। 

 

You might also like!