Breaking News
 
Iran's Supreme Leader Mojtaba Khamenei : পালালেও বাঁচবেন না! মোজতবাকে নিশানায় রেখে কড়া বার্তা ইজ়রায়েলের, মস্কো জল্পনায় আগুন FIFA World Cup 2026: মাঠের উত্তেজনা থেকে স্টেডিয়ামের আবহ—FIFA-র বিশেষ উদ্যোগে সবকিছু মিলবে এবার ইউটিউবেই West Bengal Assembly Election: নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা—রাজ্যের একঝাঁক জেলাশাসক ও কলকাতার দুই ডিইও অপসারণ Netanyahu: বেঁচে আছেন নেতানিয়াহু! বিশেষ মার্কিন দূতের ইজরায়েল সফর ও ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় বিশ্ব Bunker Buster Bombs: মাটির তলার দুর্গে মার্কিন আঘাত! হরমুজ উদ্ধারে পেন্টাগনের তুরুপের তাস ‘বাঙ্কার বাস্টার’, কাঁপছে ইরান IPAC case:আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম সংঘাত! ইডি-র ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কোন আইনি চালে বাজিমাত করতে চাইছে রাজ্য?

 

West Bengal

1 hour ago

West Bengal Assembly Election: টিকিট না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ রাজগঞ্জের খগেশ্বর! স্বপ্নার পাল্টা চাল কি পারবেন বিক্ষুব্ধ কর্মীদের শান্ত করতে?

Trinamool Candidate Swapna Barman
Trinamool Candidate Swapna Barman

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজগঞ্জে বিদ্রোহের সুর! চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের নাম প্রার্থী তালিকায় না থাকায় জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের অন্দরে বড়সড় ফাটল দেখা দিল। ক্ষোভে ফেটে পড়ে খগেশ্বর বাবু জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক ময়দানে আনকোরা স্বপ্না বর্মনকে এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। স্বপ্নার কথায় কিছুটা ‘পেশাদারিত্ব’ থাকলেও, দলের প্রবীণ নেতার মান ভাঙাতে তাঁর বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ নেওয়া এক বিশেষ কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজ্ঞতার সাথে তারুণ্যের এই সংঘাত রাজগঞ্জে তৃণমূলের জয়ের পথ কতটা মসৃণ রাখে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

২০০৯ সাল থেকে টানা জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়ে আসছেন তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার কনভেনর খগেশ্বর। এবারও তাঁকেই প্রার্থী করা হবে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন সকলেই। মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষনা হতেই ক্ষোভের আঁচ বাড়তে থাকে রাজগঞ্জের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। কারণ, ছাব্বিশে এই আসনে খগেশ্বর রায়ের বদলে প্রার্থী করা হয়েছে এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মনকে। তা জানামাত্রই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন খগেশ্বর। তাঁর পাশাপাশি পদত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছে অনুরাগীদের মধ্যেও। তৃণমূলের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শাখা সংগঠনের নেতারা।

খগেশ্বর রায়ের স্পষ্ট বক্তব্য, “দলের কাছ থেকে এই আঘাত প্রত্যাশা করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দলের হয়ে লড়াই করছি। ২০০৯ সালে উত্তরবঙ্গে বাম দুর্গে আমিই প্রথম ফাটল ধরাই।” তাঁর কথায়, “টাকার কাছে হেরে গেলাম।” এবিষয়ে সংবাদ প্রতিদিনের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল স্বপ্না বর্মনের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমার বাবা খুব অসুস্থ। তাঁকে নিয়ে শিলিগুড়িতে রয়েছি। দিদি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা হবে। এখানে আমার কিছু বলার নেই।” খগেশ্বর রায়কে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তবে প্রচার শুরুর আগে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অর্থাৎ বিদায়ী বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে যান স্বপ্না। তাঁদের কথা হয়েছে বলেই খবর। তারপর খগেশ্বর রায় বলেন, “টিকিট কাকে দেওয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত দলের। স্বপ্না এসেছিলেন, কথা হয়েছে। ওর নতুন জীবন সফল হোক, সেই কামনা করি।”

You might also like!