Breaking News
 
Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার Amit Shah:‘উল্টো লটকে সোজা করে দেব’, শাহের মেজাজি ভাষণে পাল্টা বিঁধল ঘাসফুল শিবির; শুরু হল অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র সংঘাত T20 World Cup and metro: রবিবাসরীয় ক্রিকেটের ধামাকা! দর্শকদের ভিড় সামলাতে প্রস্তুত এসপ্ল্যানেড স্টেশন, অতিরিক্ত মেট্রোর সময় এক নজরে Rujira Banerjee: রুজিরার সম্মান রক্ষায় ঢাল কলকাতা হাই কোর্ট! কুৎসিত আক্রমণ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে জারি হল কড়া নিষেধাজ্ঞা Pakistan:কাবুল-কান্দাহারে পাক বায়ুসেনার বিধ্বংসী হামলা! তালিবানকে ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’-এর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 

Travel

2 years ago

Tepantar Village:শাল-পিয়ালের বনে 'তেপান্তর গ্রাম' আপনার জন্য অপেক্ষা করছে

Tepantar Village
Tepantar Village

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ তেপান্তরে পারে যাব। বাঙালিদের কাছে একেবারে মৌখিক কথা এটি। কোথায় যাচ্ছ প্রশ্ন করলেই অনেকে মজার ছলে জবাব দেন তেপান্তরের পারে। জানেন কি সত্যিই তেপান্তর বলে একটি জায়গা রয়েছে। আর যেটি এই বর্ষায় বেড়ানোর আদর্শ জায়গা। তাও আবার কলকাতার কাছেই।

গরম চাঁদিফাটা গরম। আর শীতে হাড় কাঁপুনি ঠান্ডা। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম বেড়ানোর তাই আদর্শ সময় এই বর্ষাকাল। বৃষ্টিতে গরমের দাপট অতটা থাকে না। লাল মাটির জেলা কাজেই হাঁটু জল-কাদা এসবের ভয় নেই। আর গরমে শুকিয়ে যাওয়া শাল-পিয়ালের জঙ্গল এই সময় আরও সবুজ হয়ে ওঠে। তার উপরে সুন্দর রাস্তা। যাতায়াতেরও কোনও সমস্যা নেই কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয়। একেবারে পারফেক্ট ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না।

পলাশের জঙ্গল

পলাশের জঙ্গলের ভেতরেই রয়েছে এই রিসর্ট। লাল মাটির মেঠো পথ দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। পশ্চিম বাঁকুডার একি আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকা এই তেপান্তর গ্রাম। শালপিয়ালের জঙ্গলের মধ্যে অসাধারণ একটা জায়গা। ছোট ছোট কটেজ রয়েছে জঙ্গলের মধ্যে। রয়েছে কেভ হাউস। অর্থাৎ লাল ঢিবির নীচে ঘর তৈরি করা হয়েছে। যেমনটা গুহা হয়। সেখানে অবশ্য সব আধুনিক পরিষেবাই রয়েছে। আবার মাটির ঘরে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। আবার ট্রি হাউসও রয়েছে এখানে।

 যাওয়া - তেপান্তরে আসতে হলে আগে থেকে বুকিং করে আসতে হবে। কারণ এখানে খালি থাকে না। অনলাইনে বুক করা যায়। এখানে গাড়ি করে আসাই ভাল। কারণ তেমন ভাল বাসের যোগাযোগ নেই। তবে বাঁকুড়া থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। আগে থেকে তার জন্য কথা বলে নেওয়া জরুরি।



You might also like!