kolkata

1 hour ago

Suvendu on Mamata : ‘নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?’ ফুটপাথে দুধ গরম কাণ্ডে মমতাকে পালটা শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee
Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ফুটপাথে দুধ গরম করার ঘটনা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। সোমবার ফেসবুক লাইভে ওই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি নিজের কোনও কর্মীর বাড়িতে তাঁদের থাকার ব্যবস্থাও করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। মমতার এই বক্তব্যের পরই পালটা আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝে প্রসঙ্গটি উঠতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, “উনি নিজের বাড়িতে রাখছেন না কেন?” এরপরই মমতাকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “কথা কম বলুন, অনেক বয়স হয়েছে।” 

দিন কয়েক আগে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করছিলেন বৃদ্ধা। যেকোনও মুহূর্তে বিপদ ঘটে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সেই কাজে বাধা দেন অগ্নিমিত্রা পাল। তড়িঘড়ি দুধ গরম বন্ধ করার নির্দেশ দেন। প্রশ্ন করেন, তাঁর বাড়ি কোথায়। এই ঘটনার পরই ওই মহিলা অসহায় কণ্ঠে বলেন, “বাড়ি থাকলে কী আর কেউ ইচ্ছে করে রাস্তায় থাকে!” মহিলার দাবি, ৫০ বছর ধরে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথই তাঁর ঠিকানা। ওই মহিলার পরিস্থিতি দেখে অনেকেই অগ্নিমিত্রা পালের মানবিকতা বোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পালটা ভিডিও বার্তায় সোমবার অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোনও বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। সরে যেতে বলা হয়েছে। অনাবশ্যক সমালোচনার কোনও কারণ নেই। হ্যাঁ, আমার হয়তো বুঝিয়ে বলা উচিৎ ছিল।” 

সোমবার ফেসবুক লাইভে সেই ইস্যুতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “একটা ছোট্ট দুধের শিশুর খাবার তৈরি করছিল, দরিদ্রকে ঘৃণা করবেন না দয়া করে। যে মা রাস্তার উপর বাচ্চার জন্য দুধ ফোটাচ্ছে, সে অসহায়। দুধটা ফেলে দিতে খারাপ লাগল না? মনে রাখবেন মায়ের অভিশাপ, বড় অভিশাপ।” এরপরই মমতা বলেন, “আমি এই পরিবারটার দায়িত্ব নিতে তৈরি। ওনারা রাজি থাকলে আমি কোনও কর্মীর বাড়িতে ওদের থাকার ব্যবস্থা করে দেব। বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্বও নেব।” এই ইস্যুতেই মমতাকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “উনি নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখছেন না কেন? হালিশহরে ওনার কর্মীর বাড়িতে ওনাকেই ঢুকতে দেয়নি। আমার সঙ্গে তো মৃতের পরিবার কথা বলেছে। অর্থ সাহায্য নিয়েছে। চাকরির কথা বলেছি, প্রয়োজনীয় নথিও দিয়েছেন।” শুভেন্দুর কথায়, “কর্মীরাই ওনাকে ভরসা করে না। এসব বলে কী লাভ!”

You might also like!