kolkata

1 hour ago

Arabul Islam : আইএসএফ ছেড়েই ঋত শিবিরে আরাবুল! ‘আসল’ তৃণমূলে যোগ ঘিরে জোর জল্পনা

Arabul in a meeting with Ritabrata Banerjee in the Assembly
Arabul in a meeting with Ritabrata Banerjee in the Assembly

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  আইএসএফ ছাড়ার পর থেকেই আরাবুল ইসলামকে ঘিরে ভাঙড়ে একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে। সোমবারও তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়েছে বলে দাবি। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এদিন আচমকাই বিধানসভায় হাজির হন ভাঙড়ের এই নেতা। সেখানে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে আলোচনা। এরপরই আরাবুলের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি এবার সরাসরি ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন তিনি? নাকি সাম্প্রতিক হামলার আবহেই নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়ের খোঁজে ‘ঋত শরণে’ আরাবুল? এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

একসময়ে ভাঙড় দাপিয়ে বেড়ানো ‘তাজা নেতা’ কলেজ শিক্ষিকার মাথায় জগ ছুড়ে মারার মতো গুরুতর কাজের জন্য দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। যদিও পরে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেয় তৃণমূল। স্বমহিমায় দলে ফিরে ফের ভাঙড়ের বুকে শুরু হয় তাঁর দাপট! শুধু তাই নয়, ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় কার্যত আরাবুলেরই ‘শাসন’ চলত বারবার অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময় রাজনীতিতে তাঁর কাঁটা হয়ে দাঁড়ান শওকত মোল্লা। একাধিক ইস্যুতে তাঁর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান আরাবুল। এহেন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে বড় বদলের সাক্ষী থাকেন ভাঙড়ের মানুষ। তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেন নওসাদ সিদ্দিকীর দল আইএসএফে। প্রার্থীও হয়েছিলেন। কিন্তু জয় আসেনি। এহেন পরিস্থিতিতে ক্রমশ আইএসএফে কোনঠাসা হয়ে পড়েন আরাবুল। মাত্র পাঁচমাসেই মোহভঙ্গ হয় তাঁর।  

এহেন পরিস্থিতিতে গত কয়েকদিন আগেই সমাজমাধ্যমে তোপ দেগে আইএসএফ ছাড়ার ঘোষণা করেন আরাবুল। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “আইএসএফের স্বৈরাচারী এবং একনায়কতন্ত্রকে আমি ধিক্কার জানাই। আইএসএফের লুম্পেন বাহিনীর হাতে ভাঙড় জুড়ে যেভাবে মানুষের উপরে অত্যাচার-অনাচার নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই দল থেকে আমি পদত্যাগ করলাম।” তার রেশ কাটতে না কাটতেই গত শনিবার তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ছোড়া হয় ইট। এমনকী বোমা নিক্ষেপ করা হয় বলেও অভিযোগ। কোনও রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন আরাবুল। এরপরেও তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা হয় বলে অভিযোগ। একের পর এক ঘটনায় আইএসএফ যুক্ত বলে দাবি করেন একসময়ের ভাঙড়ের ত্রাস। এরপরেই এদিন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 


You might also like!