kolkata

56 minutes ago

Clash at Kolkata’s SRFTI : অশান্তির পরও থমথমে এসআরএফটিআই, পঞ্চসায়র থানায় রুজু ৪টি এফআইআর

Clashes erupted at Kolkata’s Satyajit Ray Film and Television Institute
Clashes erupted at Kolkata’s Satyajit Ray Film and Television Institute

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  টানা ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় উত্তেজনার পর সোমবারও থমথমে পরিস্থিতি এসআরএফটিআইয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিষ্ঠানের বাইরে এখনও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এদিকে, গোটা ঘটনায় পঞ্চসায়র থানায় পৃথক চারটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। একটি মামলা করেছে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতি। পড়ুয়াদের একাংশের তরফেও একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে আরও একটি মামলা রুজু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। 

রবিবার দুপুর একটা নাগাদ আরএসএসের শাখা সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেই সময় এসএফআই সদস্যরা ওই অনুষ্ঠানস্থলে যায়। কেন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন করা হয় আয়োজকদের। তাদের দাবি, কোনও কথা না শুনে এসএফআইয়ের তরফে ভারতমাতা, স্বামী বিবেকানন্দের ছবি এবং ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। যদিও পড়ুয়াদের দাবি, একে তো তাদের অন্ধকারে রেখে আরএসএসের শাখা সংগঠনকে অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়েছে। আবার তার উপর আয়োজকরা তাঁদের ‘জঙ্গি’, ‘বাংলাদেশি’ বলে খোঁচা দিয়েছে বলেও অভিযোগ। তারই প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের মারধর করা হয়েছে বলেই দাবি। ছাত্রীরাও তাদের রোষের শিকার হয় বলেই দাবি এসএফআইয়ের। কলেজ চত্বরে ‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় ভীম’ পালটা ‘আজাদি’ স্লোগান উঠতে থাকে। 

খবর পেয়ে ডিসিপির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশের সামনেই দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পড়ুয়া এবং আয়োজকদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। প্রায় অর্ধনগ্ন করে মারধর করা হয় বলেই অভিযোগ। যদিও তাঁকে পুলিশ উদ্ধার করে। পড়ুয়াদের দাবি, উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকজন পড়ুয়াও জখম হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে একটি অ্যাম্বুল্যান্স এসআরএফটিআই চত্বরে নিয়ে আসা হয়। তবে বেশ কিছুক্ষণ তাণ্ডবের পর কলেজ অ্যাম্বুল্যান্সে ঢোকে। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা। যদিও ডিসি ইস্ট বলেন, “আইনের বাইরে কিছু করতে পারি না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এরপরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

You might also like!