Breaking News
 
Amit Shah North Bengal visit : চিকেনস নেকের সুরক্ষায় বাড়তি তৎপরতা, উত্তরবঙ্গে অমিত শাহের একগুচ্ছ কর্মসূচি Tulu Mondal protection plea: ‘টুলু মণ্ডল যেন ইন্দ্রজিৎ, মেঘের আড়াল থেকে সব দেখছেন’! কোর্টে চাঞ্চল্যকর পর্যবেক্ষণ Jadavpur University violence: ‘যাদবপুরে দেশবিরোধী তৈরি হয়’, ‘ইনশাআল্লা-আজাদি চলবে না’! শর্বরীর হুঙ্কারে পালটা বামনেত্রীর CM Suvendu Adhikari: বন্যায় সবংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০০ বাড়ি! আকাশপথে পরিস্থিতি দেখে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর Jadavpur University Chaos: যাদবপুরে রাতের সংঘর্ষ অনভিপ্রেত, উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে তদন্তের ভাবনা উপাচার্যের Amit Shah: ‘স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান’, ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র তোপ অমিত শাহের

 

kolkata

2 years ago

Darivit Case:বিচারপতি মান্থার বেঞ্চে মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্রসচিবের নামে রুল জারি,সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ

Calcutta High Court
Calcutta High Court

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ দাড়িভিট নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিআইজি সিআইডির বিরুদ্ধে রুল জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। মামলা দায়ের করার অনুমতি চায়। মামলা করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও এডিজি সিআইডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে রুল ইস্যু করে হাইকোর্ট। 

দাড়িভিট কাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। পাশাপাশি রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য। কিন্তু প্রায় এক বছর কেটে গেলেও সেই নির্দেশ পালন করা হয়নি। এবার বিচারপতি মান্থার নির্দেশের বিরুদ্ধেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার। 

২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে এসেছিল পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের গুলিতে স্কুলের দুই প্রাক্তন ছাত্র তাপস বর্মন ও রাজেশ সরকারের মৃত্যু হয়। যদিও পুলিশ গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করে। এই ঘটনায় প্রথমে সিবিআই তদন্তের দাবি উঠেছিল। তবে হাইকোর্ট শেষমেষ এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়। 

দাড়িভিটের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট তদন্তকারী অফিসারদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। ওই ঘটনার তদন্ত শেষ করতে সিআইডির চার বছর কেন সময় লাগল, সেই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। একই সঙ্গে, সিআইডি-র দেওয়া রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল হাইকোর্ট। কারণ তাঁদের রিপোর্টে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল না বলেই অভিযোগ ওঠে। ২০১৮ সালের সেই ঘটনার পর এখন কেটে গেছে ৬ বছর। এখন দেখার রাজ্যের আবেদনে ডিভিশন বেঞ্চ কী নির্দেশ দেয়। 


You might also like!