
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যাথিড্রাল রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছতেই তৈরি হল বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তৃণমূলনেত্রী মঞ্চে আসার পরই গার্ডরেল সরিয়ে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশস্থলের দিকে এগিয়ে যান। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। পরিস্থিতির মধ্যে সমাবেশে ঢুকে পড়ে একাধিক গাড়ি। এমনকি ভিড়ের চাপে আটকে যায় অ্যাম্বুল্যান্সও। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িগুলিকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন এবং পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের বার্তা দেন। তবে একইসঙ্গে সমাবেশের মধ্যে কীভাবে গাড়ি ঢুকল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মঞ্চ থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূলনেত্রী।
মেয়ো রোডে ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুমতি মেলেনি। হাই কোর্টের নির্দেশে ক্যাথিড্রাল রোডে সভা করছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল। দুপুর ১টার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। সভায় ঢুকে পড়ে একাধিক গাড়ি। তা পাস করানো কথা বলেন মমতা। তারপর জানান, “এই রাস্তা বন্ধ রেখেই সভা হবে।” ফলে কার্যত আদালতের নির্দেশ মানা হল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজে দাঁড়িয়ে সভার পাশে ঢুকে পড়া গাড়িগুলো পাস করাতে দেখা যায়। সভা আধঘন্টা বন্ধ রাখার কথা বলেন তৃণমূল নেত্রী। সভার পাশের রাস্তায় ঢুকে পড়া সব গাড়ি পাস করিয়ে তারপর পুরো রাস্তা কর্মীদের হাতে গেলে সভা শুরুর কথা বলেন। ঘটনাস্থলে আসে বিরাট পুলিশ বাহিনী। এরপর ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায় সমস্ত গাড়িগুলি। অনেক তৃণমূল কর্মীকে গাড়ি পাস করাতে দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ফের মিটিং শুরু হয়। বক্তব্য রাখেন অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ মেনে দুপুর ৩টের মধ্যে সভাশেষ করতে হবে।
