
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাখিবন্ধন উপলক্ষে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এদিন সকালে ভবানীপুরে আয়োজিত রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠান শেষে গলায় খোল ঝুলিয়ে এলাকায় পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। পদযাত্রা করতে করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে খোল বাজিয়ে কীর্তনে অংশ নিতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাপস রায়, পাপিয়া অধিকারী-সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
চলতি বছর রাজ্যে ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে রাখিবন্ধন উৎসব। যার জন্য প্রায় ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যজুড়ে মোট ২৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৫০০টি রাখি সরবরাহ করা হয়েছে। শুধুমাত্র এই রাখি বাবদ খরচ হয়েছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। শুক্রবার সকালে প্রথমে ভবানীপুরে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানে শামিল হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদান, বাংলার সংগ্রামীদের লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “এই রাখি রাষ্ট্রবাদের রাখি, ভাতৃত্বের রাখি।” পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু। বলেন, “বাইরের শত্রুদের জন্য তো আমাদের সেনাবাহিনী আছেই। ওদের ঘরে ঢুকে নাম-নিশান মিটিয়েছে বায়ুসেনা। তবে দেশের ভিতরেও অনেকে আছে। কষ্ট হয় কলকাতার রাস্তায় আজাদি সোগ্লান ওঠে। রাস্তায় লেখা হয় কাশ্মীর মাগে আজাদি। কীসের আজাদি? ১৯৪৫ সালেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল।”
সেই অনুষ্ঠানের পরই ভবানীপুরে একটি পদযাত্রায় অংশ নেন শুভেন্দু। খোল বাজিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কীর্তন করেন তিনি। এরপর সোজা চলে যান নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে। সেখানে পড়ুয়া ছাড়াও রয়েছেন বহু মানুষ। নতুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আপনারাই ভবিষ্যৎ। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোন। আপনারাই দেশ-রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব নিন। আপনাদের নেতৃত্বেই দেশ শ্রেষ্ঠস্থানে পৌঁছবে। আপনাদের জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম, ভারতবর্ষের অতীত সম্পর্কেও জানতে হবে, ভাবতে হবে। পরিবারের দায়িত্ব তো নেবেনই, পাশাপাশি দেশের জন্য কাজ করতে হবে।”
