
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে ধাক্কা খেল মমতাপন্থী তৃণমূল। চারটি বন্ধ অ্যাকাউন্ট খোলার আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। মামলার শুনানিতে আদালত জানায়, অন্য একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে থাকা বন্ধ অ্যাকাউন্টগুলি থেকে দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনীয় অর্থ তোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিষয়টি দেখভালের জন্য স্পেশাল অফিসারও নিয়োগ করা হয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘আসল তৃণমূল’ কারা, সেই সংক্রান্ত মূল বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট নিয়ে নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। পুজোর ছুটির পর ফের এই মামলার শুনানি হবে।
হরিশ মুখার্জি রোডের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তৃণমূলের চারটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে ৮০৩ কোটি টাকা রয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ করে পুলিশ। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যায় কালীঘাট তৃণমূল। মামলাটি ওঠে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। মামলার শুনানির পর বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কারা আসল তৃণমূল এই বিচার না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। পাশাপাশি আদালতের আরও নির্দেশ, এই অ্যাকাউন্টগুলির জন্য সব পক্ষকে হলফনামা দিয়ে তাদের বক্তব্য জানাতে হবে। এই সময়ে রাজ্য নতুন করে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দেবে।
শুনানির সময় রাজ্য আদালতকে জানায়, বিধাননগর সাইবার থানার মামলার তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। দেখা গিয়েছে এই চারটি অ্যাকাউন্টগুলিতে দেবরাজ চক্রবর্তী একাধিকবার ১০ কোটি করে দিয়েছেন। লিপস আন্ড বাউন্সের তরফ থেকে ৩০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আরও দাবি, সুমিত রায় ৭ কোটি দিয়েছেন। এরা সকলে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। পুজোর ছুটির পর মামলার পরবর্তী শুনানি।
