kolkata

1 month ago

ED:১৭ হাজার পাতার নথি-সহ চার্জশিট জমা ইডির,উদ্ধার ২৩০ কোটি! কী কী জানাল কেন্দ্রীয় সংস্থা

ED
ED

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃনিয়োগ দুর্নীতির মামলায় প্রসন্ন রায় ও শান্তিপ্রসাদ সিংহের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল ইডি।

এদিন ইডির বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত সূত্রে খবর, প্রায় ৩০০ পাতার চার্জশিটে এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা-সহ ২৩০ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধারের কথা্ উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে ১৮ জনের নাম রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য,শিক্ষা দফতরের প্রাক্তন পদস্থ কর্তা শান্তি প্রসাদ সিনহা এবং মিডল ম্যান প্রসন্ন রায়। এছাড়াও চার্জশিটে ৯৩টি সংস্থার কথা উল্লেখ করেছে ইডি।ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকাকে সাদা করা হত বলে আদালতে দাবি ইডির।

সূত্রের দাবি, এই ২৩০ কোটির সিংহভাগই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে শান্তিপ্রসাদ ও প্রসন্নর কাছ থেকে। তদন্ত নেমে নিউটাউন, পাথরঘাটা, মহেশতলা, সুলতানপুরে মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের ৩০ বিঘে জমির হদিশ পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও এসপি সিনহার পূর্ব যাদবপুর ও কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বেনামী ফ্ল্যাটের খোঁজ মেলে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির টাকাতেই প্রসন্ন ও শান্তিপ্রসাদের এই বিপুল সম্পত্তি হয়, এমনটাই দাবি ইডি কর্তাদের।

এর আগে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১৩৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। নতুন করে ২৩০ কোটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৩৬৫ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। 

নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল ইডির হাতে গ্রেফতার হন শান্তি প্রসাদ। এর আগে ২০২২ সালে গ্রুপ সি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যে নিয়োগ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি তৈরি করেছিলেন, তার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন শান্তিপ্রসাদ। অভিযোগ, এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়েছেন। 

অন্যদিকে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে এসএসসি নিয়োগ মামলায় প্রসন্নকে গ্রেফতার করে ইডি। একই মামলায় তিনি আগেই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পান। আদালতে ইডি জানিয়েছিল, প্রসন্ন শিক্ষা দফতরের আধিকারিক এবং অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে  মিডলম্যান হিসাবে কাজ করতেন। ইডি আধিকারিকদের দাবি, রীতিমতো অযোগ্য প্রার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র দিয়ে তিনি একাই ১০০ কোটি টাকা তুলেছেন। এছাড়া প্রসন্নর বিরুদ্ধে ওএমআর শিট নিয়ে কারচুপির অভিযোগও উঠেছিল। 

You might also like!