Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

International

2 years ago

Md .Yunus: শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেল জয়ী!৬ মাসের জেল শান্তি নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের

Md.  Yunus (File Picture)
Md. Yunus (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের শ্রম-আইন ভাঙা মামলায় সোমবার শান্তি নোবেলজয়ী ইউনুসকে দোষী সাব্যস্ত করল ঢাকার আদালত সেই সঙ্গে ছ’মাসের জেলের সাজাও দেওয়া হল তাঁকে।

বাংলাদেশর সমাজকর্মী তথা একমাত্র নোবেলজয়ী ইউনুসের বয়স এখন ৮৩। তাঁর সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করে বেআইনি ভাবে কাজ চালানোর মামলা চলছিল। সোমবার সেই মামলায় ইউসুফ-সহ তাঁর সংস্থার চার জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা আদালত। আর তার পরই আন্তর্জাতিক মহল থেকে আসতে শুরু করে তীব্র প্রতিক্রিয়া। ইউনুসের মামলায় আদালতের সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করেন তাঁর অনুগামীরা।  

উল্লেখ্য, সোমবার ঢাকা আদালতে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের এক প্রতিনিধিও। রায় ঘোষণার পর তিনিও এই রায়ের সমালোচনা করেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধি স্পষ্ট বলেন, ‘‘এই নির্দেশ বিচারের নামে প্রহসন। ঢাকা আদালত আদতে বাংলাদেশ সরকারের ইচ্ছা এবং সিদ্ধান্তে আইনি ছাপ দিল। শ্রম আইনের অপপ্রয়োগ করে হেনস্তা করা হল সেই নোবেলজয়ীকে, যিনি তাঁর দেশকে গর্বিত করেছেন।’’

সোমবার তাঁর মামলার শুনানিতে আদালতে হাজির ছিলেন শান্তি নোবেলজয়ী বাংলাদেশী সমাজকর্মী ইউনুস। আদালত তাঁকে হাজতবাসের সাজা দিলেও অবশ্য তাঁকে জেলে যেতে হয়নি। তিনি এবং তাঁর সংস্থার চার কর্মী অবিলম্বে জামিনও পেয়ে যান। তবে ইউনুসকে এ ভাবে অপদস্থ করার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন ইউসুফ। তাঁকে ওই সম্মান দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর তৈরি মাইক্রোফিন্যান্স ব্যাঙ্কের জন্য। ওই ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে ইউনুস বাংলাদেশের লক্ষাধিক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে টেনে তুলেছেন বলে মনে করেছিল নোবেল প্রদানকারী সংস্থা। যদিও তাঁর নিজের দেশের সরকারের মনোভাব ছিল অন্য। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই ইউসুফের সমালোচনা করেছেন প্রকাশ্যে। 

এর মধ্যেই ইউসুফের সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে দেশের শ্রম আইন ভাঙার অভিযোগ ওঠে। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী যেকোনও সংস্থায় কর্মীদের কল্যাণমূলক তহবিল তৈরি করতে হয়। কিন্তু গ্রামীণ টেলিকমে ওই তহবিলের ব্যবস্থা ছিল না। এ ব্যাপারে ইউসুফকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি বাংলাদেশে যে সংস্থা চালান। তার কোনওটিই লাভের অর্থের জন্য করেননি। তাই তাঁর সংস্থার ক্ষেত্রে ওই নিয়ম খাটে না। এর পরেই ইউসুফ-সহ তাঁর সংস্থার চার কর্মীর বিরুদ্ধে শ্রম-আইন ভাঙার অভিযোগে মামলা হয়। যদিও সেই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলেই মনে করছেন ইউনুসপন্থীরা।

উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী ইউনুসের এই ‘হেনস্থা’র বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন স্বয়ং বারাক ওবামা। গত অগস্টে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ওবামার পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন-সহ ১৬০ জন বিশিষ্ট এ ব্যাপারে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন। যাতে সই করেছিলেন গোটা বিশ্বের ১০০ জনের বেশি নোবেলজয়ী। বিচার বিভাগের হাতে ইউনুসের নিরন্তর হেনস্থা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তাঁরা।

You might also like!