Breaking News
 
Dr. Sharadwat Mukherjee: চিকিৎসকদের পুজোর ছুটি নিয়ে ক্ষোভ, ‘লজ্জাজনক’ মন্তব্য মন্ত্রী শারদ্বতের! স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক TMC leader Majid Ansari: মাজিদ আনসারির গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত! থানায় কুণাল, বাইরে বিজেপির স্লোগান Chorbagan Sarbojanin Stampede: চোরবাগান বিপর্যয়ের তদন্তে মণ্ডপ অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ, শনিবারই নিরঞ্জন প্রতিমার Pakistan Terror Group Threat: পাক জঙ্গিদের নিশানায় শুভেন্দু-যোগী? বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেত্রীর, শুরু চর্চা DK Shivakumar: মেটা চশমায় গোপনে স্টিং অপারেশন? সিদ্দারামাইয়ার পর শিবকুমারের অভিযোগে শোরগোল CM Suvendu Adhikari: প্রতি সপ্তাহে বাড়ি বাড়ি পুষ্টিকর খাবার! লোধা-শবর গ্রামে দাঁড়িয়ে বিশেষ কর্মসূচির সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

 

Pakistan, Maldives MoUs: পাকিস্তানের সঙ্গে মালদ্বীপের নতুন সমীকরণ? মুনিরের সঙ্গে বৈঠক, সই ২০টি চুক্তিতে

Maldives' President Mohamed Muizzu with Pakistan's Prime Minister Shehbaz Sharif
Maldives' President Mohamed Muizzu with Pakistan's Prime Minister Shehbaz Sharif

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে ভারত ও মালদ্বীপের সম্পর্ক ফের বন্ধুত্বের পথে এগোচ্ছে বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কিন্তু সেই সম্ভাবনার মধ্যেই নতুন করে চর্চায় উঠে এলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ যখন স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল, তখনই পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর পথে হাঁটল ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্র। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের পর মোট ২০টি চুক্তিতে সই করেছেন মুইজ্জু। সেই চুক্তির তালিকায় রয়েছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সমঝোতাও। ইসলামাবাদের সঙ্গে মালদ্বীপের এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা স্বাভাবিকভাবেই ভারতের কূটনৈতিক মহলে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। 

২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের সফরে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। এই সফরে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পাশাপাশি সেনাপ্রধান আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ইশক দার-সহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এমনকী সেখানকার এক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ডক্টরেট উপাধিও নেন এই নেতা। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই সফরে ২০টি চুক্তি সই করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহায়তা, পুলিশি ব্যবস্থা, সমুদ্র নিরাপত্তা ও বাণিজ্য। এমনকী দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-কে পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন জানান তিনি। শেষবার এই সংগঠনের বৈঠক হয়েছিল ২০১৪ সালে কাঠমান্ডুতে। পাকিস্তানের সঙ্গে মালদ্বীপের এই ঘনিষ্ঠতা প্রশ্ন তুলছে, ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্র ইসলামাবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে না তো? যদি তাই হয় সেক্ষেত্রে নয়াদিল্লির জন্য এর অর্থ কী দাঁড়াবে?

ভারত সমাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের অন্যতম প্রহরী মালদ্বীপ। দেশটির আন্তর্জাতিক জলসীমা ঐতিহ্যগতভাবে নয়াদিল্লির প্রত্যক্ষ কৌশলগত এলাকা এবং প্রভাব বলয়ের মধ্যে পড়ে। যার জেরে ভারতের কাছে মালদ্বীপের গুরুত্ব অনেক বেশি। অতীতে দেশটির নানা বিপদে সাহায্যের হাত পাড়িয়েছে দিল্লি। তা সে মানবিক সহায়তা হোক বা চিকিৎসা সহায়তা। ২০২৩ সালে ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন মুইজ্জু। সরকার গঠনের পর শুরু হয় তাঁর ভারত বিরোধিতা। তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর, বন্ধুত্বের সেই সম্পর্কে চিড় ধরে। ২০২৪ সালে সেখানে অবস্থিত ভারতীয় সেনাকে সরানো হয়। ভারত পালটা পদক্ষেপ করলে চাপে পড়ে দেশটি। শুরু হয় দুই দেশের তিক্ত সম্পর্ক মেরামতের কাজ। এরই মাঝে মুইজ্জুর পাক প্রীতি ভারত যে ভালো চোখে দেখবে না তা বলাই বাহুল্য।

এদিকে গত বুধবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মুইজ্জু বলেন, “মালদ্বীপ সার্কের গুরুত্ব বাড়াতে আগ্রহী। এবং সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।” তিনি আরও ঘোষণা করেন পাকিস্তান ও মালদ্বীপ “আমাদের ছয় দশকের বন্ধুত্বের ভিত্তির ওপর অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগ গড়তে এবং একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে” সম্মত হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান সিন্ধু জলচুক্তি ও কাশ্মীর ইস্যুতে উসকানি মূলক মন্তব্য করলেও বুদ্ধিদীপ্তভাবে সে বিতর্ক পাশ কাটান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।    

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…