
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছর এলেই জীবনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন প্রায় সকলেই। পুরনো ভুল শুধরে কেরিয়ারে উন্নতি, সঞ্চয়ে শৃঙ্খলা কিংবা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতি—সবই থাকে সেই তালিকায়। কিন্তু বাস্তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিজ্ঞাই ঝাপসা হয়ে যায়। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অধরাই থেকে যায়। এই প্রেক্ষিতেই গবেষকরা বলছেন, নতুন বছরে লক্ষ্যপূরণে ‘ম্যাজিকের’ মতো কাজ করতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)। আধুনিক AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন ব্যক্তিগত লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করা সম্ভব। দৈনন্দিন অভ্যাস বিশ্লেষণ করে কোথায় ভুল হচ্ছে, কোন জায়গায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে—সবই মুহূর্তে তুলে ধরতে পারে এই প্রযুক্তি।
১. বিত্তশালী হতে কে না চায়। কিন্তু চাইলেই কি আর সঞ্চয় করা যায়? অধিকাংশেরই দেখা যায়, যা আয় করছেন তা-ই ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে অব্যর্থ AI! খরচের ধরন জেনে আপনার কোথায় সমস্যা তা বলে দিতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ফলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কেন সঞ্চয় করতে পারছেন না। অভ্যেস বদলে ফেলতে পারলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হয়ে উঠবেন আপনি।
২. চাকরিতে পদোন্নতি সকলেই চান। ফলে বারবার সংস্থাও বদল করেন। কিন্তু তার জন্য নিজেকে আপডেট করা ভীষণ জরুরি। এক্ষেত্রে আপনার কেরিয়ার গাইড হিসেবে কাজ করতে পারে এআই। আপনি এআইয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন কোন স্কিল শিখলে কাজের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা মিলতে পারে। নিজের সিভি আপলোড করে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সের কাছে আপনি জানতে চাইতে পারেন যে কীভাবে নির্দিষ্ট কোনও পোস্টের জন্য নিজেকে তৈরি করবেন।
৩. স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অধিকাংশ পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হয় না। জিমে যাবেন ভেবেও শেষপর্যন্ত যাওয়া হয়ে ওঠে না অনেকের। তালিকায় রয়েছে এরকম আরও কত কী। আপনার স্বাস্থ্য, রুটিন, বাজেট এবং সময়ের সীমাবদ্ধতার উপর ভিত্তি করে ফিটনেস এবং পুষ্টি সংক্রান্ত পরামর্শ দিতে AI-এর জুড়ি মেলা ভার।
৪. কাজের প্রয়োজনে অনেকেই নতুন ভাষা শিখতে চান। কিন্তু তা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। কাজের ফাঁকে সময় বের করাও কঠিন। এক্ষেত্রে AI-এর মতো বন্ধু আর কেউ নেই। আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ব্যবহার করে অত্যন্ত সহজে, বাড়ি বসেই শিখতে পারবেন যে কোনও ভাষা। যা আপনার কেরিয়ার গ্রোথের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
