Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Life Style News

6 months ago

Intimate area pigmentation: ইন্টিমেট এরিয়ার রং কালচে? দুশ্চিন্তা নয়, জেনে নিন ইন্টিমেট স্কিন নিয়ে কিছু জরুরি তথ্য

Intimate Skin Awareness
Intimate Skin Awareness

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বয়স যখন ১৮-এর কোটায় পৌঁছায়, তখন নিজের শরীরকে নতুন করে চিনতে শেখার সময়ও শুরু হয়। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছোটখাটো পরিবর্তনও চোখে পড়ে বেশি। বিশেষ করে শরীরের ব্যক্তিগত অংশগুলোর ত্বকের রং একটু গাঢ় দেখালে অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই উদ্বেগের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।

ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শরীরের সব অংশের ত্বকের রং এক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বরং যৌনাঙ্গের আশপাশ, বগল কিংবা উরুর ভেতরের অংশে ত্বক কিছুটা গাঢ় হওয়াই স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য। বয়ঃসন্ধির পরে হরমোনের পরিবর্তন, নিয়মিত ঘর্ষণ, ঘাম জমা, শেভিং বা ওয়াক্সিংয়ের মতো কারণে এই অংশে মেলানিনের পরিমাণ বাড়ে, যার ফলে ত্বকের রং খানিকটা কালচে দেখাতে পারে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—এই পরিবর্তন কি ভবিষ্যতের যৌনজীবনে কোনও প্রভাব ফেলতে পারে? বিশেষজ্ঞদের স্পষ্ট বক্তব্য, ত্বকের রঙের সঙ্গে যৌনক্ষমতা বা সন্তুষ্টির কোনও সম্পর্ক নেই। বরং নিজের শরীর নিয়ে অস্বস্তি বা সংকোচ তৈরি হলে সেটাই আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলে। 


বর্তমানে বাজারে ইন্টিমেট এরিয়া ‘ফর্সা’ করার নানা পণ্য ও চিকিৎসার প্রচার দেখা যাচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। এই অংশের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ব্লিচ, স্টেরয়েড বা শক্তিশালী কেমিক্যাল ব্যবহার করলে জ্বালা, অ্যালার্জি এমনকি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় এতে সমস্যার সমাধান না হয়ে উল্টে আরও বেড়ে যেতে পারে পিগমেন্টেশন। যদিও কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি, যেমন নির্দিষ্ট কেমিক্যাল পিল বা লেজার থেরাপি, প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলো অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করা উচিত। কারণ প্রতিটি ত্বকের ধরন আলাদা এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও ভিন্ন হতে পারে।

তবে কিছু লক্ষণ থাকলে অবহেলা করা উচিত নয়। যদি হঠাৎ করে ত্বকের রং দ্রুত পরিবর্তন হয়, ত্বক মোটা বা খসখসে হয়ে যায়, অথবা চুলকানি ও জ্বালা দেখা দেয়, তাহলে তা অন্য কোনও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। শেষ কথা, ‘নিখুঁত’ শরীর বলে কিছু নেই—এটাই চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত। শরীরের স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করাই সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ। তাই ইন্টিমেট এরিয়ার রং নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা না করে নিজের শরীরকে ভালোবাসা ও সম্মান করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

You might also like!