
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দলবদল নিয়ে বিজেপির অন্দরে মতপার্থক্য ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। তৃণমূল ছেড়ে আসা নেতাদের দলে নেওয়ার বিরোধিতা করছেন বিজেপির একাংশ, আবার অন্য অংশের মতে, রাজনৈতিক কর্মীদের দলবদল গণতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই আবহে মঙ্গলবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, অন্য দল থেকে কেউ বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে আপত্তির কোনও কারণ নেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরে দলবদল ও নতুনদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে।
সামনেই পুরভোট। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলর যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। সম্ভবত টিকিটও পাবেন তাঁরা। এদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘নো এন্ট্রি’। এদিকে তাঁর সুরে সুর মিলিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও। তবে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের কথায়, “পুরসভা পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞতা থাকা দরকার। সে কারণে পুরসভার কাজ সম্পর্কে গভীর ধারণা রয়েছে, এরকম লোকজনকে দলে নিয়ে প্রার্থী করা যেতেই পারে।” এই মন্তব্যেই স্পষ্ট যে তাঁরা তৃণমূলত্যাগীদের নেওয়ার পক্ষেই।
মঙ্গলবার এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ বলেন, “রাজনীতিতে আবেগের কোনও জায়গা নেই। কংগ্রেস থেকে আসতে পারলে তৃণমূল থেকেও আসতে পারেন।” তবে হ্যাঁ, আদৌ তাঁরা বিজেপির মতো দলে মানিয়ে নিতে পারবেন কি না, সেটা দেখার বিষয় তা মনে করিয়ে দিয়েছেন দিলীপ। তিনি বলেন, “যাঁরা আসছেন দেখতে হবে তাঁরা বিজেপির কার্যপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবেন কি না। এসব ঠিক করার বিষয় পার্টির।” এতেই স্পষ্ট শমীক ও সুকান্তর সঙ্গে দিলীপের মত পার্থক্য।
