
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বিগ বস বাংলা’র ঘর ছেড়ে ৫৫ দিন পর অবশেষে বাড়ি ফিরছেন অভিনেতা ভরত কল। রিয়্যালিটি শো থেকে বেরিয়ে প্রতিযোগীরা প্রত্যেকেই কমবেশি ভাগ করে নেন তাঁদের অভিজ্ঞতা ও অন্দরমহলের নানা অজানা কাহিনি। প্রিয় প্রতিযোগীদের মুখে সেই সব গল্প শোনার অপেক্ষায় থাকেন দর্শকরাও। এবার শোয়ের অন্দরমহলের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে মুখ খুললেন ভরত। দুর্নিবার সাহা ও সৃজলা গুহর সম্পর্ক নিয়ে যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে তাঁর দাবি, দু’জনের মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক নেই। ভরতের কথায়, সৃজলা বারবার দুর্নিবারকে ‘দাদা’ এবং নিজেকে ‘বোন’ বলে পরিচয় দিয়েছেন। খেলায় টিকে থাকার জন্য অনেকেই নানা সমীকরণ তৈরি করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তবে দুর্নিবার-সৃজলাকে নিয়ে যতটা স্বচ্ছন্দে কথা বলেছেন ভরত, রাজবীর ও নন্দিনীর ঘনিষ্ঠ রোম্যান্স নিয়ে ততটাই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি।
স্ত্রী জয়শ্রীকে পাশে নিয়ে ভরত স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমার তো মনে হয় ওঁদের প্রেমটা পুরোটাই ফেক। শো অফ ছাড়া আর কিছুই নয়। রিয়েলিটি শো এসে প্রেম করলে সেই সম্পর্ক টেকে নাকি! মানুষকে তো চেনার সুযোগটাই হয় না। এক খাটে শোয়া মানেই কি সম্পর্ক?” কখনও কম্বলের নীচে রোমান্স তো কখনও শৌচাগারের বাইরে চুমু, খেলার মাঝে পরস্পরকে জাপটে ধরার মতো বিগ বসের ঘরে ঘটনাবহুল মুহূর্ত! মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মেয়ের এহেন আচরণ অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ বলেও মন্তব্য করেন ভরত। তাঁর কথায়, “একটা মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মেয়ে। বাড়ি ফিরতে হবে। আত্মীয়স্বজন আছে। এরকম একটা প্ল্যাটফর্মে নিজের মেয়েকে যদি এভাবে দেখতাম! এতে ভালো লাগার কিছু নেই।”
মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মেয়ের এহেন আচরণ অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ বলেও মন্তব্য করেন ভরত। তাঁর কথায়, “একটা মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের মেয়ে। বাড়ি ফিরতে হবে। আত্মীয়স্বজন আছে। এরকম একটা প্ল্যাটফর্মে নিজের মেয়েকে যদি এভাবে দেখতাম! এতে ভালো লাগার কিছু নেই।” ভরতের সুরে সুর মিলিয়ে জয়শ্রীও বলেন, “এগুলো সব ফেক। রিয়েলিটি শোয়ে টিকে থাকতে, খেলায় জেতার জন্যই এসব।” স্ত্রীর কথার প্রসঙ্গ টেনে ভরতের যুক্তি, “খেলার জায়গায় খেলবে। খেলা আর প্রেম দুটো বিষয়কে আলাদা রাখা প্রয়োজন। একটা রিল খুব ভাইরাল হয়েছে। সেখানেও কিন্তু, সকলে বলছে রাজবীর খুব স্ট্রং প্লেয়ার। এমনকী নন্দিনী নিজেও। তাই নিজেও খেলো আর ওকেও খেলতে দাও।”
