
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভরদুপুরে আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে উঠল বাগুইআটির আটঘরা পূর্বপাড়া। পরপর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এলাকার বসতিতে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুন দ্রুত গ্রাস করতে শুরু করে একের পর এক ঝুপড়ি। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাই। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক কর্মী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ আগুন লাগে ওই বস্তিতে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ঝুপড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলে এসেছে বাগুইআটি থানা ও ইকোপার্ক থানার পুলিশ। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রাজারহাট নিউটাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। দমকলকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়ককে দেখেই নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এই ঝুপড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন নয়। আগেও বহুবার এই ঝুপড়িতে আগুন লেগেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বসতি এলাকায় আগুন লাগার ফলে আশেপাশের বিল্ডিং অথবা বাড়িগুলিতেও তার প্রভাব লাগার ভয় থাকেই যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগেই কার্যত সহমত হয়ে বিধায়ক বলেন, “এই ঝুপড়ি এলাকা খালি করার কথা অনেক আগে থেকেই বলা হচ্ছে। কিন্তু কেউ কথা শুনছে না। আজকে এমন একটা বিপদ ঘটে গেল।” স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে বেশিরভাগ বাড়িই টিনের, ওই ঝুপড়িতে যাঁরা বসবাস করেন, কেউ-ই ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা নন। প্রায় দেড়শো থেকে দু’শো জন ঝুপড়িতে বাস করেন বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট নাকি রান্নার গ্যাস থেকে আগুন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
