Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

kolkata

3 weeks ago

Ritabrata TMC: জোড়াফুলের অপেক্ষা, বিকল্পে নির্দল! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে লড়াইয়ের প্রস্তুতি ঋত শিবিরের

Ritabrata TMC on Bypoll 2026
Ritabrata TMC on Bypoll 2026

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম, রাজ্যের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ঘিরে এবার মুখোমুখি হতে চলেছে তৃণমূলের দুই শিবির। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল যে জোড়াফুল প্রতীকেই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে, তা আগেই প্রত্যাশিত ছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে উপনির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা করে দিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও। তবে জোড়াফুল প্রতীক না পেলে বিকল্প পথও খোলা রাখছে ঋতব্রত শিবির। সেক্ষেত্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ভোটে নামার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য বিধানসভায় ‘আসল’ তৃণমূলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। ফলে উপনির্বাচনের আগে দুই তৃণমূলের প্রতীক ও প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। 

আখরুজ্জামান বুধবার জানিয়েছেন, দুই কেন্দ্রেই তাঁরা প্রার্থী দেবেন। দলের জেলা নেতৃত্বের কাছে প্রার্থীদের নাম চাওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা প্রার্থী হবেন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সেই নাম সরকারিভাবে ঘোষণা করা হবে। আখরুজ্জামানের সাফ কথা, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নামেই তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীকেই তাঁদের প্রার্থীরা মনোনয়ন দেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত যদি নির্বাচন কমিশন তাঁদের অর্থাৎ অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলকে প্রতীক না দেয়, তাহলে প্রার্থীরা নির্দল হিসাবে কমিশন যে প্রতীক দেবে, তাতেই লড়াই করবেন। 

নিয়ম অনুযায়ী, একসং একাধিক প্রার্থী এক দলের প্রতীকে মনোনয়ন দিতে পারেন। শেষমেশ দলের তরফে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তিনিই দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। কিন্তু তৃণমূলের ক্ষেত্রে দলের আসল মালিক কে, সেটা নিয়েই আসল তর্ক। যদিও কালীঘাট তৃণমূলের দাবি, কমিশনের খাতায় এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন। ঋতব্রতরা প্রতীক চেয়ে যে আবেদন করেছিলেন, সেই মামলা এখনও কমিশনের খাতায় বিচারাধীন। তাই সেই ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত কালীঘাটের প্রার্থীদের প্রতীক পেতে সমস্যা হবে না। ঋতব্রত শিবিরও সম্ভবত সেটা বুঝতে পারছে। সেকারণেই যদি শেষমেশ প্রতীক না মেলে, তাহলে নির্দল হিসাবেই লড়তে প্রস্তুত হচ্ছেন তাঁরা।

বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, “আমরা উপনির্বাচনে প্রার্থী দেব। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় আমরা লিখে দেব, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল। তবে কমিশন যদি প্রতীক জমা দেওয়ার তারিখ পর্যন্ত প্রতীক আমাদের হাতে তুলে না দেয়, তাহলে আমাদের প্রার্থীরা নিজে থেকেই নির্দল হয়ে যাবেন। আমরা নির্দল হিসাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।” 

You might also like!