
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ এবার আর কোনো রাখ-ঢাক রাখে নি। পেন্টাগন ইউক্রেনকে যুদ্ধ সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করবে বলেই স্পষ্ট জানালো। মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধান লয়েড অস্টিন এ খবর জানিয়েছেন। খবর বিবিসি, আলজাজিরার। মার্কিন প্রতিনিধি স্পষ্ট করে বলেছেন,ইউক্রেনের যে জমি রাশিয়া দখল করেছে তা ছড়িয়ে নেওয়ার জন্য বদ্ধ পরিকর ইউক্রেন। আগামী মাসে রুশ বাহিনীর ওপর ইউক্রেনের প্রত্যাশিত হামলা শুরু হতে পারে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, কিয়েভকে সহায়তায় প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে বিশ্বব্যাপী আবার এক ভয়ংকর যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
ইতিমধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে শিবির ভাগ হয়ে গেছে। সম্ভবত গোপনে চিন রাশিয়ার সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পেন্টাগনের প্রধান অস্টিন বলেন, ‘ইউক্রেন এখন যুদ্ধে নিজেদের গতি বাড়াতে চায়। যুদ্ধক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, যা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ট্যাংক, গোলাবারুদ দ্রুত পাঠাতে কঠোর পরিশ্রম করছে ওয়াশিংটন এবং তাদের মিত্ররা।’ ভারত স্বাভাবিকভাবে রাশিয়ার বন্ধুশক্তি। কিন্তু এই যুদ্ধের ক্ষেত্রে ভারত চাইছে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করতে। এদিকে পেন্টাগনের প্রতিনিধি বলেছেন,এই বসন্তেই সম্ভবত ইউক্রেন রাশিয়ার উপর আক্রমণ নামিয়ে আনবে।
অস্টিন তার প্রতিবেদনে বলেছেন, ইউক্রেনের জমি রাশিয়াকে ফেরৎ দিতেই হবে।
তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন এখন যুদ্ধে নিজেদের গতি বাড়াতে চায়। ফলে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ট্যাংক, গোলাবারুদ দ্রুত পাঠাতে কঠোর পরিশ্রম করছে ওয়াশিংটন এবং তাদের মিত্ররা।’ এই মিত্র বলতে তিনি কাদের বুঝিয়েছেন তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তবে ওই শিবিরে মূলত ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অনেক দেশই আছে। তুরস্ক এখন ভূমিকম্পে বিদ্ধস্ত। এই তুরস্ক একাধিকবার এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করে যুদ্ধ বন্ধের বার্তা দিয়েছিল। সম্ভবত এখন ভারত সেই ভূমিকা নিতে চলেছে।
