
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক : প্রথম দফার শেষ পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারে। অভিযোগ উঠেছে, সিতাই বিধানসভার ৬ নম্বর মণ্ডলের ২৭০ নম্বর বুথ এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর উপর হামলা চালানো হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বিজেপি কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য শাসকদল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করা হলেও, তৃণমূল সেই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে।অন্যদিকে, শিলিগুড়িতে পৃথক ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষ পুলিশের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, নির্ধারিত ১০০ মিটারের সীমার মধ্যেই পুলিশ মোতায়েন ছিল, যা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের সমান।
কোচবিহারের ওকরাহবাড়িতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম জাহানুর ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে কয়েকজন তাঁকে ছুরি মেরে খুনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন তাঁকে খুনের চেষ্টা করেছেন। তিনি এদিন বিজেপির বুথ এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। জাহানুর ইসলাম বলেন, “তৃণমূলের হার্মাদবাহিনী ছুরি মেরেছে। আমি ২৭০ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্ট ছিলাম।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষের অভিযোগ, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে পুলিশ আছে। তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়াতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে।
পাশাপাশি বৃহস্পতিবার দাঁতনে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জখম হয়েছেন প্রায় ছয়জন কর্মী-সমর্থক। ঘটনাটি ঘটেছে কেশিয়াড়ি বিধানসভার অন্তর্গত দাঁতন এক নম্বর ব্লকের ২৩৩ নম্বর বেলমুলা বুথে। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছিল। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। ঘটনায় বিজেপির অন্তত দুই কর্মী আহত হন। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবি, বিজেপি নেতারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছিল। প্রতিবাদ করতে গেলে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের চারজন কর্মী জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। বর্তমানে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
